ব্যবসায়ীরা বলছেন ভ্যাট বাড়ানোর কারণে দেশীয় ব্র্যান্ডের পোশাক থেকে ক্রেতারা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদকেন্দ্রিক বাজারে পোশাক বিক্রির যে লক্ষ্যমাত্রা ছিল তা পূর্ণ হয়নি। লক্ষ্যমাত্রার ৭০ শতাংশ বিক্রি হয়েছে মাত্র। তারা মনে করেন, অতিরিক্ত ভ্যাটের কারণে মানুষ দেশীয় ব্র্যান্ডের পোশাক কেনা থেকে বিমুখ হচ্ছে। এতে ভবিষ্যতে এ শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে।জানা গেছে, দেশীয় ব্র্যান্ডের পোশাকে ভ্যাট বাড়ানোর ফলে ক্রেতাদের নানামুখি প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছেন পোশাক বিক্রেতারা। অনেকে বাড়তি ১ শতাংশ ভ্যাট দিতে চায় না।
গত ৭ জুন প্রস্তাবিত ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে নিজস্ব ব্র্যান্ডের তৈরি পোশাক বিপণন ও নিজস্ব ব্র্যান্ড ব্যতীত তৈরি পোশাক বিপণনে ভ্যাট ৪ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। সাধারণত নতুন অর্থবছরের শুরু থেকে ভ্যাট কার্যকরের নিয়ম থাকলেও বাজেটের দিনেই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআর এসআরও নং ১৭৩/আইন/২০১৮/৭৯৮ মূসক নামে একটি চিঠি দিয়ে উদ্যোক্তাদের নতুন ভ্যাট কার্যকর করার নির্দেশ দেয়।
দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলোকে মুক্তবাজারের প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখতে হলে সরকারকে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। দেশীয় পণ্যের যথেষ্ট চাহিদা থাকা স্বত্তেও প্রতিযোগিতায় হেরে যাচ্ছে তারা। ক্রেতারা বাড়তি ভ্যাট দিতে চাইছে না। আরো যাচাই বাছাই করে এই ভ্যাট আরোপ করলে ক্রেতাদের যেমন সুবিধা হবে, তেমন দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলো অসম প্রতিযেগিতায় মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে। যা আমাদের দেশেরই অর্থনীতির জন্য লাভজনক হবে।









