দুই দিনের সফরে ঢাকা এসে পৌঁছেছেন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ডক্টর জিম ইয়ং কিম। বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফান জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে অর্থনীতিতে বাংলাদেশের বিস্ময়কর অর্জন সবার নজর কেড়েছে। তাই ওই অর্জন নিজ চোখে দেখতেই বাংলাদেশ সফরে আসছেন ডক্টর কিম।
স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বব্যাংকের সহজ শর্তে কম সুদের ঋণ ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এসিসট্যান্স আইডিএ’র সবচেয়ে ভালো গ্রহীতা বাংলাদেশ। কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ ও গ্যাস, সড়ক যোগাযোগ, নৌ-পথসহ নানা খাতের উন্নয়নে এককভাবে বাংলাদেশের বড় উন্নয়ন অংশীদার বিশ্বব্যাংক।
দারিদ্র বিমোচনে বাংলাদেশের সাফল্যের বড় অংশীদারও ওই সংস্থাটি। প্রতি বছরই ১৭ অক্টোবর আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য বিমোচন দিবস উদযাপনে সদস্য একটি দেশকে বেছে নেয় বিশ্বব্যাংক। এবার বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্টের পছন্দ বাংলাদেশ।
সর্বশেষ ২০০৭ সালে বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট রবার্ট জোয়েলিক। তারও আগে রবার্ট ম্যাকনামারা, পল উলফোভিৎজ এবং জেমস উলফেনসনও বাংলাদেশ সফর করেন।
দু’দিনের সফরে ১৬ অক্টোবর বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে ঢাকায় পৌঁছান বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ডক্টর জিম ইয়ং কিম। ১৭ অক্টোবর সকালে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক আর বিকেলে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে দারিদ্র্য বিমোচন দিবসের আলোচনায় অংশ নেবেন তিনি। ১৮ অক্টোবর বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত উন্নয়ন প্রকল্প দেখতে বরিশাল যাওয়ার কথা তার। ওই দিন রাতেই ঢাকা ছাড়বেন ডক্টর জিম ইয়ং কিম।







