প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে সরকার। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে লালমনিরহাটের দহগ্রাম-আঙ্গরপোতায় মোবাইল ফোনের থ্রিজি নেটওয়ার্কের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সারা দেশে একশ’টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথা আবারো জানান তিনি।
লালমনিরহাটের আঙ্গরপোতা-দহগ্রামের মতো প্রত্যন্ত অঞ্চলে গ্রামীণফোনের থ্রি-জি সেবা চালু হলো। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ সেবা চালু করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এ সময় দহগ্রামবাসীদের সঙ্গে ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে তার সরকার মোবাইল সেবাকে বেসরকারি খাতে নিয়ে আসে।
প্রযুক্তিখাতের এই উন্নয়নটা ব্যাপকভাবে সামাজিক উন্নয়নে ব্যবহার হচ্ছে। এর চাহিদাও বাড়ছে তাই এর গতি বাড়ানো দরকার। এরই মধ্যে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নির্মাণের চুক্তিও হয়ে গেছে। এর সঙ্গে সাবমেরিন ক্যাবল বা ব্রডব্যান্ড সবই আরো উন্নত করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, থ্রিজি সেবার মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষির সেবা গ্রহণ করা যাবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষিসহ সব ধরনের সেবা, মানুষ যাতে ঘরে বসেই পেতে পারে সে ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন. কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষাকে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। সেজন্য বহুমুখী পদক্ষেপ নিচ্ছি। অর্থনৈতিক অঞ্চল করে দিচ্ছি। কোন এলাকায় কোন জিনিসের উৎপাদন ভালো সেটার উপর ভিত্তি করে সেসবের উৎপাদন বাড়ানো, সেগুলো প্রক্রিয়াজাত করা এবং যেন নিজস্ব বাজার ও বাইরে রপ্তানী করতে পারা যায় সেই পরিকল্পনা করছি। সারা দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল করবো যেখানে মানুষ বিনিয়োগ করতে পারবে।
৬৮ বছরের বঞ্চনার শিকার অধুনালুপ্ত ছিটমহলবাসী এখন ডিজিটাল বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন।






