চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

দক্ষিণ আফ্রিকার নবযাত্রা এবং আমাদের রাজনীতি

মো. সাখাওয়াত হোসেনমো. সাখাওয়াত হোসেন
৮:০৪ অপরাহ্ণ ১৭, ফেব্রুয়ারি ২০১৮
মতামত
A A

দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট জ্যাকব জুমার পদত্যাগের মাধ্যমে শ্রমিক নেতা সিরিল রামাফোসার প্রেসিডেন্টের নির্বাচনের মাধ্যমে দেশটিতে নতুন যুগের সূচনা হয়েছে বলে বিশ্লেষকদের মতামত। কার্যত নতুন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে অবসান হয় জ্যাকব জুমার ৯ বছরের শাসনামল। পার্লামেন্টের এক বিশেষ অধিবেশনে প্রধান বিচারপতি প্রেসিডেন্ট হিসেবে রামাফোসার নাম ঘোষণা করেন। প্রেসিডেন্ট পদে অন্য কোন প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্ধ্বিতায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয় সদ্য সাবেক প্রেসিডেন্ট জ্যাকব জুমার ডেপুটি সিরিল রামাফোসা। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার জনগণও নতুন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং নতুন উদ্যমে দেশের দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় অংশগ্রহণের ব্যাপারে আশা পোষণ করেছেন।

বিভিন্ন পক্ষ হতে জ্যাকব জুমার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনায় নিজ দল এএনসি জুমার তীব্র বিরোধিতা করায় পদত্যাগে বাধ্য হন। দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই সাবেক প্রেসিডেন্টের দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট। তবে সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে, জ্যাকব জুমা নিজ থেকে পদত্যাগ করেননি এমনকি তার উপর আনীত দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করতেও দ্বিধা করেননি। কিন্তু দলীয় নেতাদের চাপে পদত্যাগে বাধ্য হয় জ্যাকব জুমা। জুমার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ছিল ভারতীয় বংশোদ্ভূত গুপ্ত পরিবারের সাথে সংশ্লিষ্টতা ও নানা কেলেংকারিতে জড়ানোর অভিযোগ। তবে এ ক্ষেত্রেও তিনি বরাবরের মতো এ পরিবারের সাথে নিজের সংযুক্ততার কথা অস্বীকার করেন এবং কোনরূপ সুযোগ সুবিধা দেননি বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।

জুমার বিরুদ্ধে গুরুতর এমনকি ধর্ষণের মতো অভিযোগ পাওয়া যায়, যদিও তিনি নিজে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এছাড়াও রাষ্ট্রীয় অর্থ নিজ বাসভবনে ব্যবহারের প্রমাণ ও পাওয়া যায় এবং সে অর্থ জুমার কাছ থেকে ফেরত নেয় যথাযথ কর্তৃপক্ষ। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পূর্বে জুমার বিরুদ্ধে নানামুখী অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা হয়। যদিও কৌশলে সে সব মামলা থেকে খালাস পেয়ে যান তিনি। ২০০৫ সালে অস্ত্র কেনাবেচার সাথে জড়িত সন্দেহে অভিযুক্ত করা হয় এবং এ সংক্রান্তে  টাকার পরিমাণ ছিল ৫০০ কোটি। এছাড়াও ২০০৬ সালে এইচআইভি আক্রান্ত পারিবারিক বন্ধুকে ধর্ষণের অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়ার মত জঘন্য কাজ করেন জুমা। যে অভিযোগগুলো ফাঁস হয়েছে বা জনসন্মুখে এসেছে আমরা সেগুলো দেখতে এবং জানতে পাই কিন্তু এর বাইরেও অপ্রকাশিত অনেক রিপোর্ট থাকতে পারে যা সংবাদমাধ্যম বা লোকচক্ষুর গোচরীভূত হয়নি।

এছাড়া জুমার বিরুদ্ধে বর্ণবাদ বিরোধী প্রথার আন্দোলনের তাৎপর্যের নীতিমালাকে অবহেলা করার অভিযোগ উঠে। নেলসন ম্যান্ডেলা আহুত সম্মেলনে চীনকে খুশি করার জন্য ধর্মীয় নেতা দালাইলামাকে দক্ষিণ আফ্রিকাতে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি জুমা। কার্যত তিনি নিজের একঘেয়েমিতাকে অন্যদের উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। সরকারের সব গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিজের অনুগত ক্যাডারদের বসিয়েছেন, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিজের কাজে লাগিয়েছেন। এমনকি ব্যক্তিক প্রভাব খাটিয়ে জুমা তার বিরুদ্ধে অভিযুক্ত হওয়া মামলাগুলো স্থগিত করে দেয়, যদিও আপিল বিভাগের আদেশে তার বিরুদ্ধে আহুত ৭৮৩টি মামলা আবার সচল হয়। জুমার বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের মামলা করা মহিলাটি বিচারের রায় দেখে যাওয়ার পূর্বেই ২০১৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

সুতরাং উপরোক্ত কর্মকান্ডের আলোকে জুমার দল এএনসি জুমাকে পদত্যাগের জন্য বাধ্য করে এবং জুমা টালবাহানার পরে পদত্যাগ করেন। আর আমাদের দেশে হলে কি অবস্থা হতো একবার চিন্তা করা যায়। দলীয় নেতারা সকলে মিলে দলীয় প্রধানের সকল ধরনের দোষ ত্রুটি গোপন রাখার চেষ্টা করতেন এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে রায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তুলতেন। সম্প্রতি আমাদের দেশের এক সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে রায়কে কেন্দ্র করে ঐ দলের কর্মসূচি দেখে মনে হয়েছে রায়টি সম্পূর্ণ অমূলক। কিন্তু খোলা চোখ দিয়ে দেখলেই বোঝা যায়, যে অভিযোগের ভিত্তিতে রায় প্রদান করা হয়েছে তা যৌক্তিক। তারপরেও কইয়ের তেলে মাছ ভাজির চেষ্টা। জনগণও যা বোঝার বুঝে গেছেন। আবার কিছু কিছু ডান বাম রাজনীতিক রায়ের বিরুদ্ধে বলেছেন এমনভাবে: এর আর এমন কি! মাত্র ২ কোটি টাকার জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে হেনস্থা করা হচ্ছে। যারা শত শত কোটি টাকা অবৈধ উপায়ে লুটপাট করেছেন তাদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। প্রকারান্তারে তারা একবারও এ কথাটি ভাবলেন না, বিচার শুরু হয়ে গেছে। আইন সবার জন্যই সমান। অন্যায় করে কেউ পার পাবেন না। এ আর এমনি কি- এরূপ কথা বলার মধ্য দিয়ে মূলত তারা নিজেদেরকেই দুর্নীতিগ্রস্থ হিসেবে পরিচয় দিলেন।

প্রকৃতঅর্থে, এ রায়টি বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য দৃষ্টান্তস্বরূপ বলে মনে করি। কারণ, এই প্রথম বিচারের রায়ে দণ্ডিত হয়ে কোন সাবেক প্রধানমন্ত্রী কারান্তরীণ হয়েছেন। সুতরাং বর্তমানে যারা দায়িত্ব পালন করছেন কিংবা ভবিষ্যতে যারা রাষ্ট্র পরিচালনায় আসবেন তাদের কাছে বার্তা হিসেবে এ রায়টি প্রতিষ্ঠা পাবে। কারণ, অপরাধ করলে কেউ পার পাবেন না, সকলকেই বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় হতে হবে। রাজনীতিবীদদের সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ জনগণও কোন অপরাধ করার ক্ষেত্রে সতর্ক এবং সাবধান হয়ে যাবে নিঃসন্দেহে। বিশেষত: যে দেশে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়, সেখানে অন্য কেউ যেকোন অপরাধ করতে কম করে হলেও শতবার ভাববে। তবে বিচার বিভাগকে নিরপেক্ষ এবং শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে আধুনিক ও যুগোপযোগী উদ্যোগ গ্রহণ করা খুবই প্রয়োজন।খালেদা জিয়া-ডিভিশন

Reneta

আমাদের রাজনীতিবিদেরা যদি এ ধরণের গর্হিত (অপরাধ সংক্রান্ত) আচরণ করেন তখন আমরা সাধারণরা ব্যথিত হই। কারণ, দেশের ভবিষ্যৎ অনেকাংশে রাজনীতিবিদদের হাতেই নির্ভর করে। রাজনীতিবিদেরা যদি ২ কোটি টাকাকে সামান্য মনে করে তাহলে তাদের আয়ের উৎস খুঁজে বের করা উচিত। কিভাবে তারা রাজনীতি পরিচালনা করে আসছে দীর্ঘদিন, সে বিষয়টিও খতিয়ে দেখতে হবে।যেখানে রাজনীতিবিদদের আদর্শ মনে করে নতুন প্রজন্ম রাজনীতিতে আসবে যেখানে কতিপয় রাজনীতিবিদের সমাজবিরোধী কার্যক্রমে অনেকেই রাজনীতিবিমুখ হয়ে পড়ছে। যা দীর্ঘমেয়াদী ভিত্তিতে দেশের জন্য অশান্তির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। দেশের প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলোর গঠনতন্ত্রে সংস্কার তথা সংযোজন বিয়োজনের প্রয়োজন রয়েছে। দলীয় প্রধানকে দলের অন্যান্য সিনিয়র  এবং উপযুক্ত প্রতিনিধিদের কাছে জবাবদিহীতার বিধান রাখতে হবে। স্বেচ্ছাচারিতার অবসান ঘটাতে হবে।

দক্ষিণ আফ্রিকার নতুন নেতৃত্বের জন্য শুভকামনা। দক্ষিণ আফ্রিকার মত আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো যেন দলীয় প্রধান এবং সরকার প্রধান নির্বাচন করতে পারেন সে আকাঙ্খাই পোষণ করি। বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে আদর্শ ও নীতি নৈতিকতার মিশেলে। সে আদর্শের প্রতীক হিসেবে রাজনীতিবিদদের দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করি।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: আমাদের রাজনীতিদক্ষিণ আফ্রিকা
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

মধুর আমার মায়ের হাসি

মে ১০, ২০২৬

স্লিপে ক্যাচ মিসের কারণে আক্ষেপ সালাউদ্দিনের

মে ৯, ২০২৬

আরও ৫০-৬০ রান করলে ভালো অবস্থানে থাকতাম: সালাউদ্দিন

মে ৯, ২০২৬

রিয়ালের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নিয়ে যা বললেন বার্সা কোচ

মে ৯, ২০২৬

‘সবার কাছে শুধু আমার মেয়ের জন্য দোয়া চাই’

মে ৯, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey January 2026 Bkash Stickey September 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT