থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের একটি স্কুলের ছাত্রাবাসে আগুন লেগে কমপক্ষে ১৭ ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে ৫ ছাত্রী। আরও ২ শিক্ষার্থী নিখোঁজ রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, আগুন লাগার সময় ৫ থেকে ১৩ বছর বয়সের মেয়েদের জন্য নির্মিত ও ছাত্রাবাসে থাকা ছাত্রীরা সবাই ঘুমিয়ে ছিল। ছাত্রাবাসের এক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, দুর্ঘটনার সময় পিঠাক্কিয়ার্ট ওয়াত্তাইয়া স্কুলের ওই হোস্টেলে মোট ৩৮ জন শিক্ষার্থী ছিল।
কয়েকজন ছাত্রী জেগে ছিল বলে আগুন লাগার সময় তারা পালিয়ে বাঁচতে সক্ষম হয়েছে, জানান চিয়াং রাইয়ের ডেপুটি গভর্নর আরকোম সুকাপান। তবে বেশিরভাগ বাচ্চাই ঘুমিয়ে ছিল। তাই এত বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে জানান তিনি।
দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা কর্নেল প্রয়াদ সিংসিন বলেছেন, আগুন লাগার ঘটনাটির ব্যাপারে এখনো তদন্ত চলছে।
বেসরকারি অর্থায়নে পরিচালিত স্কুলটিতে মূলত পার্বত্য অঞ্চলের শিশুদেরকেই ভর্তি করা হয়।
স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায় চিয়াং রাই এলাকার ওই পুরো দোতলা ভবনটি জুড়ে আগুন ছড়িয়ে পড়ার দৃশ্য এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল বাহিনীর প্রবল চেষ্টা।
থাইল্যান্ডের দ্য নেশন পত্রিকা জানিয়েছে, নিহতদের মরদেহ সনাক্ত করার জন্য স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে নিখোঁজ ছাত্রীদের খোঁজ চলছে।







