রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক রেজাউল করিম ‘কোমলগান্ধার’ নামে একটি সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। পাশাপাশি ‘সুন্দরম’ নামে একটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন।
শনিবার সকালে তাকে জবাই করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তার হত্যাকাণ্ডের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সাংবাদিক, ব্লগারসহ আইনজীবীরা হত্যাকাণ্ডের পর সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
সাংবাদিক ও ব্লগার আরিফ জেবতিক ফেসবুকে লিখেছেন, অধ্যাপক রেজাউল করিম খুব ভালো সেতার বাজাতেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এখন সেতারের তারগুলো খতিয়ে দেখবে, তারপর বাকি কথাবার্তা।
আইনজীবী রাজেশ পাল লিখেছেন এক ধরণের মাৎস্যান্যায়ের দিকে ক্রমশঃ ধাবিত হচ্ছি আমরা। রাজা শশাঙ্কের মৃত্যুর পরে যেধরণের মাৎস্যান্যায় প্রায় ১০০ বছর বিরাজমান ছিলো বাংলার বুকে।
মুক্তমনা ব্লগার ও লেখক ইব্রাহিম খলিল সবাক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছেন শিক্ষক হত্যা নিয়ে এত মাতামাতির কী আছে? এখন যত দ্রুত লোকটাকে কবর দিয়ে দিবে, ততই ভালো। লাশ বেশিক্ষণ ধরে রাখলে গুনাহ হয়। সরকারের উপর হালকা চাপ হয়। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। চাপ দিবেন না, প্লিজ।
সিলেট টুডে ২৪ ডট কমের সম্পাদক কবির য়াহমাদ লিখেছেন, এবার কি মন্ত্রী বলবেন অধ্যাপক রেজাউল ‘কোমলগান্ধার’ নামে একটি সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদনা করতেন। আমরা খবর নিয়ে দেখব তিনি ওখানে কি লিখতেন, কি ছাপতেন, আর ছাত্রদের ইংরেজি সাহিত্যেরই বা কি পড়াতেন?
প্রবাসী সাংবাদিক ফজলুল বারী রিখেছেন এখন পর্যন্ত তার যে অপরাধ জানা গেছে তা হলো তিনি সেতার বাজাতেন! এখন দেখবেন একদল খুনিদের ধরা বাদ দিয়ে রেজাউলের গোষ্ঠী উদ্ধারে লেগে যাবে!
জোবায়েন সন্ধি লিখেছেন, এবার হয়তো আমাদের পুলিশমন্ত্রী ব্লগ-টলগ খতিয়ে দেখা বাদ দিয়ে সেতারের তারে কোন পর্নো পাওয়া যায় কিনা তা খতিয়ে দেখা শুরু করবেন। সেতারের চিপা-চাপায় দু’য়েকটি পর্নো পাওয়া গেলেও যেতে পারে! অসম্ভবকে সম্ভব করাই তেনার কাজ।








