দলীয় প্রতীকে তৃতীয় দফা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। বিচ্ছিন্ন কিছু সংঘর্ষ ছাড়া ভোটগ্রহণ ছিলো শান্তিপূর্ণ। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলে ভোটগ্রহণ। তবে কয়েক জায়গায় কেন্দ্র দখল আর কারচুপির অভিযোগে নির্বাচন বয়কট করেছেন বিএনপি প্রার্থীরা।
তৃতীয় দফা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সহিংসতা না হলেও বিচ্ছিন্ন কিছু সংঘর্ষ হয়েছে। নির্বাচনের আগের রাতেই রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে ২ চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত হয়েছে ৫ জন। গুলিবিদ্ধ হয়েছে আরো ১ জন। এছাড়া সংঘর্ষ হয়েছে জামালপুরের গাইবান্ধা ইউনিয়নে। ওই ইউনিয়নের পুড়ারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২ মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে গুলি ছোঁড়ে পুলিশ। কুমিল্লার সদর উপজেলার খেতাসার স্কুল কেন্দ্রে ২ মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে ২০ জন আহত হয়।
সংঘর্ষ ছাড়াও কেন্দ্র দখল ও জাল ভোটের অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদের বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচন বর্জন করেন।
বিএনপি প্রার্থীরা নাটোরের লক্ষ্মীপুর খোলাবাড়িয়ার হালসা, ছাতনি ও তেবাড়িয়া ইউনিয়নেও নির্বাচন বর্জন করেন। চাঁদপুর ফরিদগঞ্জের বালিঠুবা ইউনিয়নের একটি কেন্দ্রে ব্যালট বক্স ছিনতাই-এর অভিযোগে নির্বাচন স্থগিত করেছে নিবাচন কমিশন।
এর আগে ৪৮ জেলার ৮৭ টি উপজেলার ৬ শতাধিক ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ শুরু হয় সকাল ৮ টায়। পছন্দের প্রার্থী নির্বাচনে তীব্র গরম উপেক্ষা করে কেন্দ্রগুলোতে সকাল থেকেই ছিল ভোটারদের ভীড়।
এই দফায় ৪৮ টি জেলার ৮৭ টি উপজেলার ৬১৪টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হয়। মোট ভোটকেন্দ্র ৬ হাজার ৭৫টি। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ২ হাজার ৬শ’৭২ জন, সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার পদে ৬ হাজার ২শ’ ৯৮জন এবং সাধারণ মেম্বার পদে ২০ হাজার ৯শ’৪৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান পদে ২৫ জন, সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার পদে ৭৯ জন এবং সাধারণ মেম্বার পদে ১শ ৭৪ জন নির্বাচিত হয়েছেন।







