সাউথ আফ্রিকার সঙ্গে দ্বিতীয় টেস্টে ‘ভালো কিছু’ করতে হলে শুধু ব্যাটিং দিয়ে সম্ভব নয়, বরং সব বিভাগেই জ্বলে উঠতে হবে বলে মনে করেন তামিম ইকবাল। ওয়ানডে ক্রিকেটে ধারাবাহিক সাফল্য দলকে টেস্ট ম্যাচেও জয়ের উৎসাহ যোগাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন এই ড্যাশিং ওপেনার। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, টেস্টে হয় তো আমরা বড় কোন সাফল্য পাইনি। সেটা এ মাঠই হোক আর যে মাঠই হোক। এট লিস্ট আমরা আগের চেয়ে ভালো ক্রিকেট খেলছি। বাংলাদেশের ওয়ানডে জিনিসটা দেখেন আমরা যে দিন ভালো শুরু করি সেদিন আমরা ভালো খেলি। প্রথম সেশনটা যদি আমরা ভালো খেলতে পারি আর সেটা যদি ক্যারি করতে পারি তাহলে আশা করি ভালো টেস্ট ম্যাচ হবে।
ওয়ানডের তুলনায় টেস্ট ম্যাচের পরিসংখ্যানে ঠিক উল্টো অবস্থানে মিরপুর। জহুর আহমেদ চৌধুরীর মাঠে ‘চিটাগাং-পর্ব’ শেষ করে বাংলাদেশ-সাউথ আফ্রিকা সিরিজের শেষটা হচ্ছে এই শেরে বাংলায়। তবে মাঠের রেকর্ডে বাংলাদেশের জন্য আশার আলো না থাকলেও তা বাড়তি চাপও নয় বলে মনে করেন তামিম।
মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত ১৩টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ, যার ১০টিতেই পরাজয়। দুটো ম্যাচ ড্র আর গত বছর অক্টোবরে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে এই মাঠে প্রথম টেস্ট সাফল্য।
মাঠ নিয়ে চিন্তা নেই প্রতিপক্ষ সাউথ আফ্রিকারও। তবে মিরপুরের উইকেট নিয়ে কিছুটা হলেও আলাদা করে ভাবছে টিম প্রোটিয়া। বাউন্সি উইকেট পেলে স্টেইন-মরকেলই হয়ে উঠবেন ম্যাচের ভাগ্য নিয়ন্ত্রক।
মরনে মরকেল বলেন, মাঠ নিয়ে আমাদের কেউ ভাবছে না। উইকেট কেমন আচরণ করে এটাই গুরুত্বপূর্ণ। এই নিয়ে আমাদের দলের পরিকল্পনা আসে সেটা ম্যাচের দিন জানতে পারবেন। এখন শুধু বলছি সবাই নিজেদের মতো চেষ্টা করছে সিরিজটা ভালো ভাবে শেষ করতে।
মরকেলরা যেমন বাংলাদেশ সিরিজের শেষটা ভালো করতে মরিয়া, তেমনি টেস্ট ম্যাচে সফলতার জন্য ক্ষুধা আছে তামিমদেরও।
এই বছরের আগ পর্যন্ত টেস্টে আমাদের তেমন কোন অর্জন নেই বলতে গেলেই চলে। এ বছর হয়তো আমরা অনেক কিছু অর্জন করছি স্পেশালি ওয়ানডে ক্রিকেটে। ঐ ক্ষুধাটা দলের প্রতিটি খেলোয়াড়ের মধ্যে আছে যে তারা আরও অর্জন করতে চাই। স্পেশালি টেস্ট ক্রিকেটে।
বুধবারও এ মাঠে অনুশীলন করবে বাংলাদেশ এবং সাউথ আফ্রিকা। ৩০ জুলাই থেকে হোম অব ক্রিকেটে শুরু সিরিজের শেষ টেস্ট।





