টঙ্গী বিসিক শিল্প এলাকার একটি প্যাকেজিং কারখানায় আগুন ও ভবন ধসে কমপক্ষে ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে শতাধিক।
ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ২ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেবে সরকার। প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সকাল ৬ টার দিকে বয়লার বিস্ফোরনের প্রচন্ড শব্দে কেপে ওঠে টঙ্গী রেল গেটের কাছে বিসিক শিল্প এলাকার কেমিক্যাল ও প্যাকিজিং কারখানার ৪তলা ট্যাম্পাকো ভবন। বিস্ফোরণে ভবনের একাংশ ভেঙ্গে তাতে আগুন ধরে যায়। দাহ্য পদার্থ থাকায় দ্রুত ছড়িয়ে পরে আগুন।
সেসময় রাতের পালার শ্রমিকরা কাজ শেষে বের হয়ে আসছিলো আর দিনের পালার শ্রমিকরা প্রবেশ করছিলো। কারখানার কর্মকর্তারা এলে ঈদের বোনাস বেতন পাবেন, এই অপেক্ষায়ও ভেতরে ছিলো কিছু শ্রমিক।
বয়লার বিস্ফোরণের পর তাৎক্ষনিক আগুন তেমন না ছড়ালেও অল্প সময়েই ছড়িয়ে যায় প্রতিটি তলায়, প্রতিটি কক্ষে। আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায় স্থানীয়রা।
বেশিরভাগ শ্রমিক বাইরে বেড়িয়ে এলেও ভেতরে আটকা পরে অনেকে। ঝুঁকিতে পড়ে আশপাশের বাণিজ্যিক ভবনগুলো।
আগুনের ব্যাপকতা বাড়লে নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ফায়ার ফাইটাররা। স্নোরকেল আসতে বিলম্ব হওয়ায় ব্যহত হয় আগুন নেভানোর কাজ । একপর্যায়ে ধসে পড়ে ব্যবহার অনুপযোগী কারখানার ওই ৪ তলা ভবনের উপরে টিনসেড দিয়ে করা ভবনের একাংশ।
দুপুরের দিকে ভেতর থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয় তিনজনকে । আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। 
অগ্নিকাণ্ডের পর কারখানাটির মালিক কর্মকর্তাদের কাউকেই খুজে পাওয়া যায়নি। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করে আইজিপি বলেন, কারখানা মালিকের দায়িত্বহীনতার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
আট ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে ফায়ার সার্ভিস। কারখানাটির চারদিক ঘিরে রেখেছে পুলিশ।










