অর্থনীতি

ঝরে পড়া ও বস্তির শিশুদের শিক্ষায় বিশ্বব্যাংকের ৫৫ কোটি টাকা ঋণ

বস্তির শিশুদের হাতে খেলনা ও বিশ্বব্যাংকের লোগো সহ ছবি. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

বস্তির শিশুদের হাতে খেলনা ও বিশ্বব্যাংকের লোগো সহ ছবি, যা ঝরে পড়া ও বস্তির শিশুদের শিক্ষায় বিশ্বব্যাংকের ঋণের বিষয়কে নির্দেশ করে।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

বস্তিতে বসবাস করা প্রায় ৩৯ হাজার শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারকে ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৫৫ কোটি ১২ লাখ টাকা) ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। এ অর্থে কক্সবাজারের শিক্ষা থেকে ঝরে পড়া সাড়ে ৮ হাজার যুবককেও ৩ মাসের প্রি-ভোকেশনাল প্রশিক্ষণ দেয়া করা হবে।

সোমবার এ বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের একটি ঋণচুক্তি সই হয়েছে। এতে বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশ ও ভুটানে নিযুক্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন সই করেন। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই জানিয়েছে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস।

এতে বলা হয়েছে, ‘সেকেন্ড রিচিং আউট অব স্কুল চিল্ড্রেন (আরওএসসি-২)’ প্রকল্পের আওতায় এই অর্থ খরচ করা হবে। এই প্রকল্পে ৮ থেকে ১৪ বছর বয়সী আটটি সিটি করপোরেশনের বস্তির শিশুদের সহায়তা দেয়া হবে।

বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, করোনায় দরিদ্র পরিবারের শিশুরা দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই সহযোগিতা বস্তির শিশু ও ঝরে পড়া যুবকদের ভালো সুযোগ গঠনে সহযোগিতা করবে।

ইআরডি সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন বলেন, সরকার সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করায় বদ্ধ পরিকর। বাংলাদেশের প্রায় সব শিশুই এখন বিদ্যালয়ে যায়।

এই প্রকল্পের আওতায় ২০১৯ সাল থেকে কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলার প্রায় সাড়ে ৩ লাখ শিশুর শিক্ষার সুযোগ ও মনো-সামজিক সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে।

প্রকল্পটি ২০২১ সালের জুন মেয়াদে বাস্তবায়ন করা হবে।

বিশ্বব্যাংকের এই ঋণের অর্থ ৫ বছরের রেয়াতিকালসহ ৩০ বছরে পরিশোধ করতে হবে। এই ঋণের ওপর বার্ষিক ১ দশমিক ২৫ হারে সুদ এবং ০ দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ দিতে হবে। অর্থের ওপর সর্বোচ্চ বার্ষিক ০ দশমিক ৫০ শতাংশ হারে কমিটমেন্ট চার্জ দিতে হবে।

বিষয়:ইআরডি-বিশ্বব্যাংক ঋণ সহায়তা

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…