টানা তিন ম্যাচ জিতে উড়তে থাকা ঢাকা ডায়নামাইটসকে মাটিতে নামিয়ে আনল খুলনা টাইটান্স। ঢাকাকে ৯ রানে হারিয়ে চট্টগ্রাম পর্ব শুরু করল খুলনা।
খুলনার দেওয়া ১৫৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ঢাকা অলআউট হয় ১৪৮ রানে।
শেষ ওভারে ১০ রানের প্রয়োজন হলেও কুপারের করা প্রথম বলেই লংঅফে আরিফুলের কাছে তালুবন্দি হন সেকেগু প্রসন্না। ফলে ৯ রানের জয় নিশ্চিত হয় খুলনার।
শেষ তিন ওভারে ঢাকার জয়ের জন্য দরকার ছিল ৩২ রান আর উইকেট ছিল তিনটি। মোশারফ রুবেলের ওই ওভারে দুটি ছ্ক্কা হাঁকান সেকেগু প্রসন্না। তবে তৃতীয় বলে সিঙ্গেল সিয়ে সানজামুলকে স্ট্রাইকে দিয়ে ওভারের চতুর্থ বলে ডিপ মিড উইকেটে তাইবুরের হাতে ধরা পড়েন সানজামুল।
১২ বলে ১৫ রান এ সময় বোলিংয়ে এসে খুলনার হয়ে আসল কাজ করেন জুনায়েদ। মাত্র পাঁচ রান দিয়ে সোহওয়ার্দী শুভকে রান আউটে সাজঘরের পথ দেখান তিনি।
১৫৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই দারুণ ফর্মে থাকা মারুফকে হারায় ঢাকা। কেভন কুপারের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফেরেন ঢাকার এই ব্যাটসম্যান। তিন বলের ব্যবধানে জুনায়েদ খানের বলে মাহমুদউল্লাহকে ক্যাচ দিয়ে সাঙ্গাকারা ফিরে গেলে আরো বিপদের মুখে পড়ে ঢাকা।
খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি নাসির ও কোলস। দলীয় ২২ রানের মাথায় নাসির এবং ৩০ রানের মাথায় ফিরে যান কোলস। ফলে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে ঢাকা ডায়নামাইটস। পঞ্চম উইকেটে সাকিব ও মোসাদ্দেকের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিল ঢাকা। দুজন ৩৮ রানের জুটিও গড়েন। তবে মোশাররফের করা দশম ওভারের চতুর্থ বলে সাকিব বোল্ড হয়ে গেলে ফের ব্যাকফুটে চলে যায় ঢাকা।
তবে ঢাকাকে ম্যাচে রাখে সেকেগু প্রসন্না।তার ২২ বলে সাত ছক্কায় ৫৩ রান ম্যাচে উন্মাদনা ছড়ায়।
খুলনার বোলারদের মধ্যে মোশারফ রুবেল ও কেভন কুপার তিনটি করে উইকেট নেন।
এরআগে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৫৭ রান করে খুলনা টাইটান্স। দলের পক্ষে মাহমুদউল্লাহ অনবদ্য ৬২ রান করেন।








