জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে গণপরিবহন ধর্মঘটের কারণে সারাদেশে দূরপাল্লার পরিবহণ চলাচল বন্ধ রয়েছে। কয়েকগুণ বেশি ভাড়ায় অভ্যন্তরীণ কিছু যানবাহন চলাচল করছে। তবে যাত্রীরা অভিযোগ করছেন, যানবাহন আটকে মাঝপথে যাত্রীদের নামিয়ে দিচ্ছে পরিবহন শ্রমিকরা।
গণপরিবহন ধর্মঘটের কারণে কুমিল্লায় চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে কয়েকগুণ বেশি ভাড়ায় বিকল্প পরিবহন নিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন যাত্রীরা।
সিলেটেও দূরপাল্লার বাস ও পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল বন্ধ। তবে সিএনজি অটোরিকশাসহ ছোটখাট যানবাহন চলাচল করছে। রেলওয়ে স্টেশনে ভিড় করছেন সাধারণ মানুষ।
বাস মালিক-শ্রমিক ফেডারেশনের নির্দেশনা পেলেই আবারও গণপরিবহন চলবে বলে জানান সাতক্ষীরার পরিবহণ মালিক-শ্রমিকরা।
রংপুরের বাসস্ট্যান্ডগুলো থেকে কোনো বাস অন্য জেলার উদ্দেশে ছেড়ে যায়নি। জেলায় উৎপাদিত ফসল পরিবহন করা যাচ্ছে না। পরিবহন বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন পরিবহন শ্রমিকরা। গাড়ি না চলায় উপার্জন না থাকায় দুশ্চিন্তায় তারা।
তেলের দাম ও ভাড়া সমন্বয় করার দাবিতে রাজশাহী বিভাগে পরিবহণ ধর্মঘটের কারণে জরুরি প্রয়োজনে বের হয়ে অনেকেই বিপাকে পড়েছেন। হেঁটে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে অনেককে।
ময়মনসিংহে শ্রমিক নেতারা বলছেন, তেলের দাম বাড়ায় জ্বালানি খরচে বেশি হওয়ায় জেলা ও মহানগরে থাকা প্রায় ৫০ লাখ পরিবহন শ্রমিক বিপাকে পড়েছেন। তাই পরিবহন চলাচল বন্ধ রেখেছেন তারা।
বরিশাল থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে সকালে কিছু লঞ্চ চলাচল করেছে। তবে এটা অব্যাহত থাকবে কিনা তাও অনিশ্চিত।
কক্সবাজার হোটেল মোটেল গেস্ট হাউজ মালিক সমিতি জানিয়েছে, যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় ভ্রমণে আসতে পারেননি প্রায় ৩০ হাজার পর্যটক। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে গাজীপুরে দূরপাল্লার যানবাহন ও আঞ্চলিক রুটের বাস চলাচল বন্ধ। তবে ঢাকা ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে কিছু কিছু পিকআপ ভ্যান, কাভার্ড ভ্যান , লেগুনা, সিএনজি গাড়ি চলাচল করছে।







