চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

জহুরুল হক মুন্সী-ই একমাত্র বিরল উপাধি পাওয়া বীরপুত্র!

ইমন শিকদার ইমন শিকদার
৫:১০ অপরাহ্ণ ১৫, ডিসেম্বর ২০২০
- সেমি লিড, শিল্প সাহিত্য
A A

সরকার কোনো যোদ্ধাকে যুদ্ধে বীরত্বের স্বীকৃতির জন্য একই পদক দুইবার প্রদান করলে তার নামের শেষে ‘বীরত্ব’ উপাধি লেখার পর প্রথম ব্রাকেটে ‘বার’ লেখার নিয়ম স্বীকৃত। ১৯৭১ এ আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে―আমাদের এ মাটির সন্তান ‘জহুরুল হক মুন্সী’ই একমাত্র এই বিরল উপাধি পাওয়া বীরপুত্র!

একাত্তরে আমাদের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তাকারী মিত্রশক্তি ভারতের প্রথম মারাঠা লাইট ইনফ্যান্ট্রি (১ম এমএলআই) রেজিমেন্টের সাথে ‘আমাদের’ জহুরুল হক মুন্সী’র যুদ্ধ রসায়ন অবিশ্বাস্য কিংবদন্তী হয়ে আছে।

প্রথম এমএলআই-এর ডাক নাম তখন ‘জঙ্গী পল্টন’। এই জঙ্গী পল্টনের―সার্বক্ষণিক সহচর ছিলেন আমাদের ‘জহুরুল হক মুন্সী’। ১৯৭১ এর ৮ নভেম্বর থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত জহুরুল হক মুন্সী জঙ্গী পল্টনের হয়ে বাংলাদেশের ভেতরে সংগঠিত সব যুদ্ধে অংশ নেন। তাঁর অসামান্য ও বহুমাত্রিক যুদ্ধ কৃতিত্বের কথা ভারতীয় প্রথম এমএলআই-এর তৎকালীন সেকেন্ড লেফটেনেন্ট পানওয়ার শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন ঢাকা-আগরতলা যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘মুক্তিযুদ্ধ উৎসবে’।

২০০১ এ বাংলাদেশ থেকে আমন্ত্রিত মেজর কামরুল হাসান ভূঁইয়াকে ভারতীয় ব্রিগেডিয়ার পানওয়ার কৃতজ্ঞচিত্তে বীরপুত্র জহুরুল হক মুন্সী’র কথা জানিয়েছেন বারবার। ব্রিগেডিয়ার পানওয়ার প্রফুল্ল চিত্তে বলেছেন-‘বাংলাদেশের একজন সাধারণ মুক্তিযোদ্ধা (জহুরুল হক মুন্সী) অসাধারণ বীরত্ব প্রদর্শন করে তার ব্যাটালিয়নের যুদ্ধ ও অগ্রাভিযানে প্রভূত অবদান রেখেছেন। সে মুক্তিযোদ্ধার সক্রিয় ও সাহসী সমর্থন না হলে প্রথম এমএলআই-এর হতাহতের সংখ্যাই শুধু বেড়ে যেত তা-ই না, এত কম সৈন্য ক্ষয়ে এত যুদ্ধে জয়ী হওয়াও সম্ভব ছিল না।’ (সূত্র: ‘বিজয়ী হয়ে ফিরবো নইলে ফিরবই না’, মেজর কামরুল হাসান ভূঁইয়া, ঐতিহ্য, পৃ. ৬৮)।

সন্মুখ যুদ্ধের ময়দানে খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে জহুরুল হক মুন্সী হয়ে উঠেছিলেন প্রথম এমএলআই-এর সার্বিক যুদ্ধ নির্ভরতার প্রতীক। বাঙ্গালী কমান্ডার মুন্সী’র পরামর্শ ও ভ্যানগার্ডতুল্য নেতৃত্ব পুরো জঙ্গী পল্টনের যুদ্ধাভিযানকে ক্রমাগত নির্ভুল, লক্ষভেদী ও নিরঙ্কুশ সফল্য এনে দেয়। ডিসেম্বরে মিত্রবাহিনীর গন্ধর্ভ সিং নাগরা খুব কম সৈন্যের বহর নিয়ে সবার আগে ঢাকায় পৌঁছে পাকিস্তানি জেনারেল নিয়াজীকে সে কারণেই বলতে পেরেছিলেন―‘খেলা শেষ। আমি এখন মিরপুর ব্রিজের গোড়ায়। আপনার প্রতিনিধি পাঠান’! প্রথম মারাঠা লাইট ইনফ্যান্ট্রির কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল কে এস ব্রার জহুরুল হক মুন্সীকে দেয়া প্রত্যয়নপত্রে লিখেছেন-‘আমাদের নিকট তিনি সবসময় ছিলেন এক গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ এবং তার শৃংখলাবোধ ও আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের জন্য তিনি ব্যাটালিয়নের সর্বস্তরের সৈনিকদের নিকট ছিলেন জনপ্রিয়। আমাদের আস্থা আছে যে তিনি অপারেশনসমুহে যে ধরনের উচ্চমানের ক্ষমতা প্রদর্শন করেছেন, বাংলাদেশের পুনর্গঠনের প্রয়োজনেও তা প্রদর্শন করবেন। ’ (প্রাগুক্ত, পৃ. ৭৪)

জহুরুল হক মুন্সী’র সবচেয়ে বীরোচিত অবদান হচ্ছে―৯ ডিসেম্বর ১৯৭১ এ নিজের প্রাণ সংকটাপন্ন করে জামালপুরে অবস্থিত তৎকালীন পাকিস্তানি গ্যারিসনে ৩১ বেলুচের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল সুলতান মাহমুদ এর কাছে আত্মসমপর্নের আহবান সম্বলিত চিঠি নিয়ে স্বশরীরে হাজির হওয়া এবং এ চিঠির উত্তরসহ জীবিত অবস্থায় আবার ফিরে আসা। কৃষকের বেশে সাইকেলসহ সাদা পতাকা উড়িয়ে নিরস্ত্র কমান্ডার মুন্সী ১৫০০ সশস্ত্র পাকিস্তানি সৈন্যের ক্যাম্পে গিয়ে চিঠি পৌঁছে দেন। চিঠি পড়ে গ্যারিসন প্রধান পাকিস্তানি লে. কর্নেল সুলতান ক্রুদ্ধ হয়ে এসএমজির আঘাতে মুন্সির সামনের মাড়ির কয়েকটি দাত ভেঙ্গে ফেলেন। ক্রমাগত নির্যাতনের মুখে কমান্ডার মুন্সি আশ্রয় নেন কৌশলের। ভাঙ্গা ভাঙ্গা উর্দুতে বলেন, তিনি সাধারণ দরিদ্র কৃষক। ভারতীয় সৈন্যরা তাকে বাধ্য করেছে এখানে আসতে। তিনি রাজি না হলে তাকে মেরে ফেলা হত এ কারণে তিনি এখানে আসতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি জানেন না এ চিঠিতে কি লেখা আছে। তার এ কথায় কাজ হয়। নির্যাতনও বন্ধ হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে এরপর কমান্ডার মুন্সিকে এক কাপ চা খাইয়ে ফিরতি চিঠিসহ ছেড়ে দেয়া হয়। জামালপুর গ্যারিসনে পাকিস্তানি সৈন্যদের নির্যাতনের সময় কমান্ডার মুন্সী গ্যারিসন প্রধানের দোভাষী হিসেবে দেখতে পেয়েছিলেন জামাতের শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী কামরুজ্জামানকে।

Reneta

জামালপুর গ্যারিসন থেকে ফিরতি চিঠি নিয়ে সাইকেলে করে ফেরার পথে কমান্ডার মুন্সী নারকীয় সব দৃশ্য দেখতে পান। কমান্ডার মুন্সী’র ভাষ্যে―‘ছাড়া পেয়ে জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ধরে হেঁটে যাচ্ছি। চোখে পড়লো রাস্তার দু’পাশে অসংখ্য মানুষের মৃতদেহ। এর মধ্য দিয়েই অনেকটা পথ এগোতে হল। একটা নারী কন্ঠের কাতর আর্তনাদ কানে আসে। সে একটু পানি খেতে চায়। মারাত্মক আহত দেখলাম তাকে। এরপর রাস্তার পাশ থেকে কচু পাতা ছিঁড়ে নিয়ে তাতে পানি এনে মেয়েটার মুখে ধরি। তখনই চোখে পড়ে মেয়েটার কোলে একটা মৃত শিশু আঁকড়ে আছে। মেয়েটা হয়তো তখনও জানে না তার বাচ্চাটা বেঁচে নেই।’

এ রকম অসংখ্য মৃতের মিছিল মাড়িয়ে মাঝ রাতে ব্যাটেলিয়ান হেডকোয়াটারে ফিরে আসেন কমান্ডার মুন্সী। আত্মসমর্পনের প্রস্তাবে নাখোশ পাকিস্তানিরা ফিরতি চিঠিতে আত্মসমর্পন না করার দৃঢ়তাস্বরূপ একটি ৭.৬২ মি.মি. চাইনিজ রাইফেলের গুলি মুড়ে দিয়েছিল। কমান্ডার মুন্সীর কাছ থেকে চিঠিসহ সে স্মারক পাবার পরপরই প্রথম মারাঠা লাইট ইনফ্যান্ট্রির ভারতীয় কমান্ডিং অফিসার সিদ্ধান্ত নেন ভোর রাতেই জামালপুরস্থ পাকিস্তানি গ্যারিসন দখলের।

নিজের ওপর চালালো নিমর্মতা আর টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়কে পড়ে থাকা অগনিত সাধারণ মানুষের মৃতদেহ কমান্ডার মুন্সীকে প্রতিশোধ পরায়ণ করে তোলে। নির্বিচার গণহত্যার দুঃসহ স্মৃতি কমান্ডার মুন্সীর মনোজগত বদলে দিয়েছিল। ভোররাতে অসুস্থ শরীর নিয়েও পাকিস্তানি গ্যারিসন দখলের যুদ্ধে কমান্ডার মুন্সীর রুদ্রমূর্তি দেখা যায়। মনের সমস্ত শক্তি একত্র করে কমান্ডার মুন্সী নিরঙ্কুশ লড়াই চালিয়ে ছিলেন। জনশ্রুতি আছে-কমান্ডার মুন্সীর গান পয়েন্ট থেকে সেদিন নিস্তার পায়নি জামালপুর গ্যারিসনের কোনো জীবিত পাকিস্তানি সেনা। একটি দু’টি নয়―শতাধিক পাকিস্তানি সৈন্যের লাশের স্তুপ তৈরী করে তার ওপর দাঁড়িয়ে ক্ষুব্ধ কমান্ডার মুন্সীকে সেদিন কোনোভাবেই থামাতে পারছিলেন না সহযোদ্ধারা! এদিন এই যুদ্ধে ৬১ জন পাকিস্তানি জীবিত যুদ্ধবন্দি, ২৩ জন আহত আর ২৩৫ জনের মৃতদেহসহ বিপুল অস্ত্রশস্ত্র মিত্র ও মুক্তিবাহিনীর হস্তগত হয়।

মেজর কামরুল হাসান ভূঁইয়া তার ‘বিজয়ী হয়ে ফিরবো নইলে ফিরবই না’ গ্রন্থে ‘বীরযোদ্ধার বীরগাঁথা জহুরুল হক মুন্সী, বীর প্রতীক (বার)’ শিরোনামযুক্ত নিবন্ধের মাধ্যমে সর্বপ্রথম এই অসম সাহসী যোদ্ধার বীরত্ব, বুদ্ধিমত্তা আর নিখাঁদ দেশপ্রেমের বিবরণ তুলে ধরেন। ২০০৬ সালে মেজর কামরুল হাসান ভূঁইয়া মাধ্যমে জহুরুল হক মুন্সী, বীর প্রতীক (বার) এর সাথে আমার পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে ২০০৭ এর আগস্টে তার যুদ্ধ এলাকায় স্বশরীরে গিয়ে হাজির হই। প্রায় এক সপ্তাহ শেরপুরের শ্রীবরদী এলাকায় অবস্থান করে কমান্ডার মুন্সীর যুদ্ধজীবন ও বর্তমান জীবনকে বুঝতে চেষ্টা করি। তখন তাকে দেখে মনে হল-একজন আজন্ম যোদ্ধার যুদ্ধক্ষেত্র সম্ভবত আমৃত্যু অপরিবর্তিতই থাকে। শ্রীবরদীতে পৌঁচ্ছে তাঁর সার্বক্ষণিক সাহচার্য পাই। ছায়ায় মত আগলে থাকা তার সমস্ত যুদ্ধ স্মৃতি ও স্মারক তিনি আমাকে ঘুরে দেখালেন। রোমহর্ষক সব যুদ্ধ অভিজ্ঞতার বলার পাশাপাশি তিনি সহযোদ্ধাদের কবরের কাছেও নিয়ে গেলেন। তাঁর একান্ত প্রিয় সহযোদ্ধা শহীদ শাহ্ মোতাসীম বিল্লাহ খুররম, বীর বিক্রম এর কবরটি ছিল শহীদের বাড়ির আঙ্গনায়। একটানা দু’দিন ঘুরে দেখেছি-একাত্তরের শ্রীবরদীর উল্লেখযোগ্য সব যুদ্ধ স্মারক। শ্রীবরদীতে দুটি পাশাপাশি বড় বটগাছ আছে যেখানে তিনজন পাকিস্তানি সেনার মৃতদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল গ্রামবাসীদের মনোবল ধরে রাখাসহ মুক্তিযোদ্ধাদের শক্তিমত্তা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেয়ার জন্য। বটগাছ দুটি এখনো সে স্বাক্ষ্য বহন করছে।

বাংলার কাদামাটিতে বেড়ে ওঠা এ বীরযোদ্ধার শেকড় শ্রীবরদীর মাটিতেই। এখানেই বড় হয়েছেন তিনি। একাত্তরের আগে থাকতেন নারায়নগঞ্জে। সেখানে জাহাজের সাধারণ শ্রমিক হিসেবে জীবন শুরু করেছিলেন। চৌষট্টি সালে নিজ উদ্যোগে আনসারের প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন―যা একাত্তরে প্রাথমিক আত্মরক্ষার কাজে লেগেছিল নারায়নগঞ্জে। একাত্তরের ২৫ মার্চের পর জহুরুল হক মুন্সী বিভিন্ন পথ মাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত পৌঁচ্ছে যান ভারতের মাটিতে। এরপর প্রাথমিক ও বিশেষ দু’ধরনের প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজ এলাকায় চলে আসেন যুদ্ধ মিশন নিয়ে। প্রায় সবগুলো মিশনেই সমুজ্জ্বল তিনি। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের যুদ্ধপাঠে কমান্ডার মুন্সী একজন জীবন্ত যুদ্ধ দ্রষ্টব্য হিসেবে প্রতিভাত হবেন। যার উপমা কেবল তিনি নিজেই।

প্রায় এক যুগ পর ২০২০ এ আবারও দেখা হয় আমার এই বীরযোদ্ধার সাথে। এখন তিনি ঢাকাতেই থাকেন। বর্তমান সরকার তাকে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে থাকার জন্য একটি ফ্লাট বরাদ্দ দিয়েছে। শব্দ দূষণ আর অমুক্তিযোদ্ধায় ঠাসা এ কমপ্লেক্সে তিনি কতটা ভালো আছেন তা দেখতেই তার কাছে যাই। যদিও ব্যক্তিগত জীবনের অপ্রাপ্তি নিয়ে তাঁর তেমন কোনো খেদ নেই। তার আশংকা দেখলাম, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঘিরে। বঙ্গবন্ধুর মত বঙ্গবন্ধু কন্যাকে তিনি হারাতে চান না। সে জন্য দেশের রাজাকার-আলবদরদের সন্তানদের থেকে বর্তমান প্রজন্মকে সতর্ক হতে বললেন তিনি। দ্বিতীয় প্রজন্মের রাজাকার-আলবদররা ক্ষমতাসীন দলে টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন পদ-পদবী কিনে পঁচাত্তরের মত একটা নৈরাজ্যকর পরিবেশ-পরিস্থিতি তৈরীর চেষ্টা করছে বলে তিনি শংকা প্রকাশ করলেন। এই অপশক্তিকে ঠেকাতে তিনি দেশের যেকোনো দায়িত্বশীল পদে নিয়োগের পূর্বে পূর্ববর্তী দুই প্রজন্মের বংশ লতিকা ভালো করে নিরীক্ষার তাগিদ দিলেন।

ঊনপঞ্চাশ বছর আগের অগ্নিক্ষরা সময়ের প্রসঙ্গ তুলতেই ‘ষাটোর্ধ্ব’ বয়সী এই সাহসী মানুষটি যেন মুহূর্তেই নতুন করে ফিরে গেলেন তার ন’মাসের গেরিলা জীবনে। জানালেন- শুরুর দিকে তিনি ভারতের মহেন্দ্রগঞ্জে দু’দফা প্রশিক্ষণের পর মেঘালয়ের তুরাসহ চেরাপুঞ্জিতে বিশেষ প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। ‘বহুরূপী যোদ্ধা’ হিসেবে তিনি ত্রাস সৃষ্টি করেছেন ‘চিহ্নিত’ সব শত্রু শিবিরে। পরক্ষণেই আবার নিজ সহযোদ্ধাদের মনোবল ভেঙ্গে যাওয়া দেখে অভিভাবকের ছায়াও হয়ে উঠেছেন। একাত্তরে সিজনড হয়ে ওঠা এই গেরিলা ও সন্মুখ যোদ্ধা এখনো একাত্তরের চেতনার বলিষ্ঠতায় সমুজ্জ্বল তার কথায় ও জীবনাচরণে।

শেরপুরের কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী কামরুজ্জামানের দু’ভাই যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনাল চলাকালে মিথ্যা স্বাক্ষীর প্রস্তাব নিয়ে তার বাসায় এসে দুই ব্রিফকেসে ৩০ লাখ টাকা দেখিয়ে তাকে প্রলোভন দেখিয়েছিল পাকিস্তানে অবস্থানরত কামরুজ্জামানের এক সহযোগি ‘কামরান’কে কামরুজ্জামানের পরিবর্তে অপরাধী হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য। কিন্তু জহুরুল হক মুন্সী একাত্তরের চেতনা, তার সহযোদ্ধা শাহ্ মোতাসীম বিল্লাহ খুররমের আত্মত্যাগ আর অগণিত গণহত্যার দগদগে ক্ষতগুলোকে অর্থের পরিমাপে বিক্রি করতে রাজি হননি। তিনি ক্ষুব্ধ কন্ঠে তাদের স্পষ্ট বলে দেন, ডাল ভাত খেয়ে সাধারণ জীবনযাপন করবেন তবুও মুক্তিযুদ্ধ আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে বেইমানি করবেন না তিনি কখনো!

Channel-i-Tv-Live-Motiom

শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ফেনীতে আওয়ামী লীগ কার্যালয় ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন

জুলাই ২২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার আশ্বাস পেলে অনশন ভাঙবেন সোনম ওয়াংচুক

জুলাই ২২, ২০২৬

রেফারিং অন্যায্য ছিল না, ওরা আমাদের চেয়ে ভালো খেলেছে: স্কালোনি

জুলাই ২২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই: খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়

জুলাই ২২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

জামায়াত থেকে বহিষ্কারের পর গাজী নজরুলের এমপি পদ কি থাকবে?

জুলাই ২২, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2026 Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT