জনসন অ্যান্ড জনসন ভ্যাকসিনের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার

নারী মুখে মাস্ক পরা, হাতে গ্লাভস পরা, টিকা সুঁচ ধরে প্রস্তুত হচ্ছে করোনাভাইরাসের টিকা নেওয়ার জন্য।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ
রক্ত জমাট বাঁধার আশঙ্কায় স্থগিত থাকা জনসন অ্যান্ড জনসনের ভ্যাকসিন আবার বিতরণ শুরু করতে অনুমোদন দিছে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রকরা।
১১ দিন স্থগিত থাকার পর শুক্রবার পুনরায় এই ভ্যাকসিনকে অনুমোদন দেয় তারা। গত ১৪ই এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রে স্থগিত করা হয় এই ভ্যাকসিন। ভ্যাকসিন গ্রহণের পরে বেশ কিছু আমেরিকানের শরীরে তীব্র রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা দেখা দেওয়ার পরে এই স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়।
এই ভ্যাকসিনের সম্ভাব্য ঝুঁকির থেকে উপকারই বেশি হওয়ায় বিশেষজ্ঞরা স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা(এফডিএ) এবং রোগনিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিরোধ সেন্টারের(সিডিসি) যৌথ বিবৃতিতে এফডিএ প্রধান জানেট উডকুক বলেন, আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী ব্যক্তিদের মধ্যে জনসনের করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের জানা এবং সম্ভাব্য সুবিধাগুলো এর জানা এবং সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি।
সিডিসির প্রধান রচেল ওয়ালেনস্কি বলেন, জমাট বাঁধাটা ব্যতিক্রমী ঘটনা হিসেবেই চিহ্নিত করা গেছে। তবে নিয়ন্ত্রকরা ভ্যাকসিন বিতরণের উপর নজর রাখবে।
শুক্রবার প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, ৩.৯ মিলিয়ন নারী জনসন অ্যান্ড জনসনের ভ্যাকসিন নিয়েছে তাদের ১৫ জনের শরীরে ভয়াবহ রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা দেখা গেছে এবং তিনজন মৃত্যুবরণ করেছেন।
ওই ১৫ জনের ১৩ জনেরই বয়স ৫০ এর নিচে। কোনো পুরুষের শরীরে রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা দেখা দেয়নি।
ইউরোপের ওষুধ নিয়ন্ত্রকও মঙ্গলবার বলেছে, রক্ত জমাট বাঁধাটাকে জনসন অ্যান্ড জনসনের করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের খুব দুর্লভ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবেই নিতে হবে।
ভ্যাকসিন গ্রহণের পর রক্ত জমাট বাঁধার প্রমাণ পাওয়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্র, সাউথ আফ্রিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন জনসন অ্যান্ড জনসনের কোভিড-১৯ টিকাদান কর্মসূচি স্থগিত করে গত ১৪ এপ্রিল।






