নারায়ণগঞ্জ শহরের বড় কবরস্থানের পাশে জঙ্গি আস্তানায় শনিবার সকালে পুলিশের
কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট ও সোয়াটের বিশেষ অভিযান ‘হিট স্ট্রং-টোয়েন্টি
সেভেন’ চলে প্রায় এক ঘণ্টা।
অভিযানে নিহত হয়েছে হলি আর্টিজান হত্যাকাণ্ডের
মূল পরিকল্পনাকারী, মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি নেতা তামিম চৌধুরীসহ ৩ জঙ্গি। ঘটনাস্থল থেকে একে-২২ রাইফেল, গ্রেনেড ও পিস্তল উদ্ধার করা হয়।
বাংলাদেশে আইএসের কথিত সমন্বয়কারী বাংলাদেশী বংশদ্ভূত কানাডিয়ান নাগরিক তামিম চৌধুরী। সিলেটের শান্তি কমিটির নেতা মজিদ চৌধুরীর নাতি জঙ্গি তামিম চৌধুরী ২০১৩ সাল থেকে নিখোঁজ ছিলেন।
গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের কাছে তথ্য আসে হলি আর্টিজানে ২২ বিদেশি হত্যা ও কল্যাণপুরের হামলায় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তামিম। তাকে ধরিয়ে দিতে সহায়তার জন্য ২০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণার পরেও
কোনোভাবেই তামিমের হদিস করতে পারছিলেন না গোয়েন্দারা।
এরই মধ্যে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের গোয়েন্দারা নিশ্চিত হন নারায়ণগঞ্জ শহরের বড় কবরস্থানের কাছে জঙ্গি আস্তানায় নাশকতার প্রস্ততি চলছে। সেখানেই অবস্থান করছে জঙ্গি নেতা তামিম।
সকালে ওই ভবন ঘিরে ফেলে ঢাকা থেকে যাওয়া বিশেষ বাহিনী সোয়াট ও কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সদস্যরা। জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলার জবাবে গুলি চালায় পুলিশ। অভিযান শেষে তামিম চৌধুরীসহ ৩ জনের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
পুলিশের আইজি একেএম শহীদুল হক ঘটনাস্থলে পৌঁছে বলেন, ‘অভিযানের আগে আমরা শুধু নিশ্চিত
হয়েছি ভেতরে জঙ্গি ছাড়া অন্য কেউ, বা কোনো নারী-শিশু আছে কিনা।’ নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, জঙ্গি তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে সম্ভব সব কিছুই করছে আইনশৃংখলা বাহিনী।
এক মাস আগে ওষুধ ব্যবসায়ী পরিচয়ে নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়া বড় কবরস্থানের কাছে ওই বাসাটি ভাড়া নেয় জঙ্গিরা। তাদের অবস্থান বিষয়ে বাড়িওয়ারা নুরুদ্দীন জড়িত কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট।








