আওয়ামী লীগের সহযোগি সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে সংগঠনটির সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ বলেছেন, ছাত্রলীগে কোনো অনুপ্রবেশকারীর ঠাঁই হবে না।
বর্তমান সরকার এবং শেখ হাসিনার সরকারের সাফল্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন সাইফুর রহমান।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এ এম জাকির বলেন, আমরা সাংগঠনিক কাজ করে যাচ্ছি। জেলা কমিটি গুলো করেছি। উপজেলা কমিটি গুলো করার কাজে হাত দিয়েছি। আগামীতে সম্মেলনের মাধ্যমে সঠিক ছাত্র নেতৃত্বের হাতেই নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হবে।
এর আগে, ৭০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যদিয়ে পাঁচদিনব্যাপী প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী কর্মসূচি শুরু করে ছাত্রলীগ।
পতাকা উত্তোলন শেষে সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা যান ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে। সেখানে তারা বঙ্গবন্ধু ভবনের সমনে রক্ষিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। এসময় দলটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর, দক্ষিণসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ঐতিহ্য মেনে এবার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর দিনেই (৪ জানুয়ারি) আনন্দ শোভাযাত্রা করছে না সংগঠনটি। সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে নগরবাসীর ভোগান্তির (বৃহস্পতিবার) কথা মাথায় রেখে এবং পরদিন (৫ জানুয়ারি) আওয়ামী লীগের গণতন্ত্র রক্ষাদিবসের দলীয় কর্মসূচির কথা চিন্তা করে, সাপ্তাহিক দ্বিতীয় ছুটির দিন ৬ ডিসেম্বর শোভাযাত্রা করবে সংগঠনটি। অবশ্য এ নির্দেশনা শুধু ঢাকার মধ্যকার ইউনিট গুলোর জন্যই প্রযোজ্য। ঢাকা বাইরের ইউনিট গুলো যথাযথ ভাবে আনন্দ শোভাযাত্রার আয়োজন করবে।
বর্তমান কমিটির অধীনে এটাই হতে পারে শেষ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন। গঠণতন্ত্র অনুযায়ী দুই বছর মেয়াদি কমিটি এরই মধ্যে ৬ মাস অতিরিক্ত সময় পার করে ফেলেছে। তবে, জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন করে সম্মেলন দেওয়ার ঝুঁকি নেবে কিনা আওয়ামী লীগ সেটাও দেখার অপেক্ষা।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় ১৯৪৮ সালের আজকের দিনে প্রতিষ্ঠা লাভ করে ছাত্রলীগ। উপমহাদেশের সবচেয়ে সুসংগঠিত এবং প্রাচীনতম ঐতিহ্যবাহী সংগঠনটি পরবর্তীকালে ৫২’র ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের স্বাধিকার আন্দোলন এবং স্বাধীন বাংলাদেশের অধিকাংশ গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সংগ্রমে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখে।










