গার্ডিয়ানের পর ক্রিকইনফোর বর্ষসেরা টেস্ট একাদশেও জায়গা পেয়েছেন সাকিব আল হাসান এবং মুশফিকুর রহিম।
গার্ডিয়ানের টেস্ট একাদশে জায়গা পাওয়ার পর দারুণ খুশি হয়েছিলেন মুশফিক। উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে কয়েক দিন আগে ফেসবুক পেজে একটি স্টাটাসও দেন।
২০১৬ সালে দুটি টেস্ট খেলার পর ১৭ সালে আট টেস্ট খেলে বিশ্বক্রিকেটের নজর কাড়ে টাইগাররা।
সাকিব সাদা পোশাকের ক্রিকেটে ১৪ ইনিংসে ৪৭.৫০ গড়ে ৬৬৫ রান করেন। সর্বোচ্চ স্কোর ২১৭। শতক দুটি, অর্ধশতক তিনটি। উইকেট নিয়েছেন ২৯টি। গত বছর খেলা দুই টেস্টে সাকিবের রান ছিল ১০৬। উইকেট ছিল ১২টি।
মুশফিক বিপিএলে যারপরনাই ব্যর্থ। কিন্তু বছরজুড়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নির্ভরতার প্রতীক ছিলেন। টেস্টে ব্যাট হাতে তিনিই দেশসেরা। ১৬ ইনিংসে রান ৭৬৬। গড়টাও চমকে দেয়ার মতো, ৫৪.৭১। সর্বোচ্চ ইনিংস ১৫৯ রানের। শতক দুটি, অর্ধশতক তিনটি। গত বছর দুটি ম্যাচ খেলে ১০০ রান করেছিলেন। এবার ম্যাচ বাড়ায় মুশফিক জ্বলেছেন নিজের মতো।
উইকেটের পেছনের দক্ষতায়ও বিশ্বক্রিকেটে মুশফিক এগিয়ে। ক্যাচ নিয়েছেন ১২টি। স্টাম্পিং দুটি।
ক্রিকইনফোর বর্ষসেরা টেস্ট একাদশ
ডিন এলগার, ডেভিড ওয়ার্নার, চেতেশ্বর পূজারা, বিরাট কোহলি, স্টিভেন স্মিথ (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, নাথান লায়ন, কাগিসো রাবাদা, জেমস অ্যান্ডারসন ও নিল ওয়াগনার।










