‘চ্যাম্পিয়ন’ হওয়ার লক্ষ্য নিয়েই সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ খেলতে ভারতে গেলো বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। সাউথ এশিয়ান ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ, সাফের ১১তম আসর এবার। আগের দশবারের অংশগ্রহণে মাত্র একবারই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ, দুইবার রানার্স আপ।
‘দক্ষিন এশিয়ার বিশ্বকাপ’ নামের এ টুর্নামেন্টে ১২ বছর আগে ২০০৩ সালে ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলো বাংলাদেশ। পরের আসর ২০০৫ এ রানার্সআপ। এর পর থেকে সঙ্গী শুধুই ব্যর্থতা।
ঢাকা ছাড়ার আগে কোচ-ক্যাপ্টেন জানিয়েছেন, দীর্ঘ এক যুগের অপেক্ষা শেষ করে এবার শিরোপা নিয়েই ফিরতে চান তারা।
অধিনায়ক মামুনুল ইসলাম বলেন অধিনায়ক মামুনুল ইসলাম বলেন, ‘গেল ১৮ দিন আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি। খেলোয়াড়রা শারিরীক ও মানসিকভাবে ফিট রয়েছে। আমরা কোচের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, ভালো করার। সবচেয়ে বড় কথা আমরা শৃংখলাবদ্ধ থাকব। লক্ষ্য একটাই চ্যাম্পিয়ন হওয়া।’
কেরালার সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের জন্যই বিদেশী কোচ ছাটাই করে বাংলাদেশ দলের দায়িত্বে একজন বাংলাদেশী।
কোচ মারুফুল হক বলেন, ‘প্রায় ২০দিন আগে দায়িত্ব গ্রহণ করেছি আমি। তখন শুরুতেই সাফ চ্যাম্পিয়নশীপ জেতার কথা বলেছিলাম। এখনও লক্ষ্যটা তেমনি আছে। গেল ১৮টি দিনে বিকেএসপিতে আমরা ৩৮ সেশনে অনুশীলন করেছি। সবাই খুব কষ্ট করেছে। চেষ্টা করেছে নিজেদের উজার করে দিতে। শেষ দিকে নেপালের সঙ্গে একটি প্রীতি ম্যাচও খেলেছি। ঐ ম্যাচে জিতেছি। তারপরও ম্যাচটিতে করা ভুল-ত্রুটি সংশোধনের কাজ চলছে। সাফে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্যেই খেলব আমরা।’
নেপাল-শ্রীলংকার ম্যাচ দিয়ে ৭ দেশের টুর্নামেন্ট শুরু ২৩ ডিসেম্বর, পরদিন আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু বাংলাদেশের সাফ মিশন।






