বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন ও নাশকতা রুখতে আরও কড়া অবস্থান নিচ্ছে চীন। বিশেষ করে জিনজিয়াং প্রদেশের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে দেশটি।
এই প্রদেশে এক দশকের বেশি সময় ধরে স্বাধীনতার দাবিতে লড়াই করছে উইঘুর মুসলিমরা। তাদের পেছনে জঙ্গি সংগঠন আই এসের হাত আছে, এমন খবরও শোনা যাচ্ছে। মাঝে মাঝে প্রশাসনের দিকে তারা চ্যালেঞ্জও ছুঁড়ে দিয়েছে তারা। বেশ কিছু নাশকতার ঘটনাও ঘটেছে। চীনা প্রশাসন চাইছে, এখন থেকেই কড়া হতে এই বিদ্রোহ দমন করতে, নইলে পরে তা ছড়িয়ে পড়তে পারে।
কী কী করা যাবে আর কী কী করা যাবে না, তা নিয়ে এক নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে প্রশাসন। চীনের সরকার নিয়ন্ত্রিত সংবাদপত্র গ্লোবাল টাইমসে সেই নির্দেশিকার খবর দিয়েছে।
নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে, রাস্তায় বোরখা পরে হাঁটা যাবে না। বোরখা পরে কাউকে ঘুরতে দেখা গেলে তল্লাশি হতে পারে। অল্প দাড়ি রাখা যেতে পারে তবে চোখে পড়ার মতো দাড়ি রাখা যাবে।
গোঁফ নেই, অথচ দাড়ি আছে, এমনটাও চলবে না, চীনের মূল সংস্কৃতির সঙ্গে মানিয়ে চলতে হবে উইঘুরদের, আলাদা ধর্মের জন্য আলাদা কোনও সুবিধে নেয়া চলবে না এবং সরকারি শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে।









