উর্বর মাটি ও উপযুক্ত পরিবেশ থাকায় চাঁদপুরে বাণিজ্যিকভাবে আম চাষ বাড়ছে। খরচে তুলনায় লাভ অনেক বেশি হওয়ায় আম বাগান করায় আগ্রহ বাড়ছে অনেকের।
তিন বছর আগে রাজশাহী থেকে আমরুপালি আমের কলম এনে চাঁদপুর সদরের খাজা আহমেদ নগরের হাসান খান প্রথম বাণিজ্যিকভাবে আমের বাগান শুরু করেন। প্রথম দিকে কিছুটা মন্দাভাব থাকলেও এক বছর পরই সাফল্য পেয়েছেন তিনি। চলতি মৌসুমে তার বাগানে আমের ভালো ফলন হয়েছে। কেমিক্যালমুক্ত আম বিক্রি করা হচ্ছে সরাসরি গাছ থেকেই।
চাঁদপুরে বাণিজ্যিকভাবে আম চাষের প্রথম উদ্যোক্তা হাসান খান বলেন, ১৫ একর জমিতে পাঁচ হাজার গাছ লাগিয়েছি। গত বছর পাঁচ লাখ টাকার আম বিক্রি করেছি। এবার ৪০-৫০ লাখ টাকার আম বিক্রি করবো।
এখন এ জেলায় অনেকই বাণিজ্যিকভাবে আম চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। এরই মধ্যে গড়ে উঠেছে একশ’র বেশি বাগান। অন্য তিন জন আম চাষী জানান, হাসান চাচার দেখাদেখি আমরাও বাগান করা শুরু করি এবং আমরা খুবই লাভবান হচ্ছি।
চাঁদপুরের ৮ উপজেলায় প্রায় দেড়শ’ একর জমিতে আমের বাগান হয়েছে। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, অন্য ফলের চেয়ে আম বাগান করে চাষীদের বেশি লাভ হচ্ছে।
চাঁদপুর কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক আলী আহম্মদ, বলেন, চাঁদপুরের মাটি আম চাষের জন্য উপযোগী। এখানে কেউ কেউ বাণিজ্যিকভাবে আম চাষ শুরু করেছেন, আমরাও তাদের উৎসাহ এবং কারিগরি সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি।
বিষাক্ত কেমিক্যাল বা ফরমালিনমুক্ত আমচাষীদের সহযোগিতায় সরকার এগিয়ে আসবে, এমন প্রত্যাশা চাঁদপুরবাসীর।







