আগের তিন ম্যাচের মতো এশিয়া কাপে সুপার ফোরের দ্বিতীয় ম্যাচেও শুরুতে দুজনকে হারিয়ে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। দুই ওপেনার লিটন কুমার দাস এবং নাজমুল হোসেন শান্ত শুরু থেকেই সতর্ক ব্যাট চালাচ্ছিলেন। শান্ত হঠাৎ বড় শট খেলতে গিয়ে ধরা পড়েন। এরপর এসেই বিদায় নেন মিঠুন। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করছেন লিটন ও মুশফিক।
বাংলাদেশ- ৫৪/২ (১৪)
শান্ত ফেরেন পঞ্চম ওভারের শেষ বলে। আফতাব আলমকে হাফভলি বানিয়ে কাভার দিয়ে উড়িয়ে মারতে চেয়েছিলেন। কানায় লেগে উঠে যায় পয়েন্টের আকাশে। ওখানে ছিলেন রহমত শাহ। বলে চোখ রেখে তালুবন্দি করেন। ১৮ বলে ৬ করে ফিরতে হয় শান্তকে।
পরের ওভারের তৃতীয় বলে মিঠুনকে ফেরান মুজিব উর রহমান। টার্ন করে ভেতরে ঢোকা বল ঠিকমতো সামলাতে ব্যর্থ হন মিঠুন। প্যাডে লাগলে আম্পায়ার আঙুল উঁচু করে দেন। রিভিউ না নিয়েই ১ রানের মাথায় পথ ধরেন ডানহাতি এ ব্যাটসম্যান।
আবু ধাবিতে বাংলাদেশ এদিন টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত বাদ পড়েছেন ইমরুল কায়েস আসায়। আর পেসার রুবেল হোসেনকে বসিয়ে স্পিনার অপুকে খেলাচ্ছে টাইগাররা।
হার-জিতের দিক থেকে সুপার ফোরে দুই দলেরই একই অবস্থা। একটি করে ম্যাচ খেলে হেরেছে তারা। তবে দলীয় পারফর্ম্যান্সের বিবেচনায় আফগানিস্তান এগিয়ে থাকবে। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশকে হারানোর পর সুপার ফোরে পাকিস্তানের বিপক্ষে লড়াকু ক্রিকেট খেলেছে তারা। অন্যদিকে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে নাজেহাল অবস্থা।
আফগানিস্তানের তিন স্পিনারই বড় হুমকি। মুজিব উর রহমান, মোহাম্মদ নবী এবং রশীদ খান কেউই ওভার প্রতি ৩.৫০’র বেশি রান দেননি। নতুন বলে মুজিবের বোলিং বৈচিত্র্য দেখার মতো। ইতিমধ্যে সাফল্য পেয়েছেন। তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন অভিজ্ঞ নবী। মিডল-অর্ডারে ভাঙন ধরাতে রশিদ তো আছেনই।









