দুবাই-আবু ধাবি-আবু ধাবি-দুবাই। এভাবেই চলছে বাংলাদেশ দলের এশিয়া কাপ টুর্নামেন্ট। সুপার ফোরে বাংলাদেশের তিন ম্যাচের দুটিই আবু ধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে। দুবাই থেকে বাসে দেড় ঘণ্টার রাস্তা এটি। মূল শহর থেকে অনেকটা বাইরে। একেবারে খা-খা মরুভূমির মাঝ বরাবর বানানো ক্রিকেট স্টেডিয়াম। গাছপালা নেই, তাই সবুজও নেই। চারপাশেই বালুর প্রান্তর।
সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে ভারতের কাছে ৭ উইকেটে হেরে গেছে বাংলাদেশ দল। একদিন বিরতি দিয়ে আফগানিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে দুপুর ১২টার মধ্যেই শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে পৌঁছে গেছে টিম টাইগার্স। ওপেনিংয়ে শক্তি বাড়াতে দেশ থেকে উড়ে এসেছেন দুই অভিজ্ঞ ওপেনার ইমরুল কায়েস এবং সৌম্য সরকার। শনিবার রাতে দুবাইয়ে পৌঁছে একটু ঘুমিয়ে দলের সঙ্গেই আবু ধাবি এসেছেন দুজন। ভ্রমণ ক্লান্তি পেছনে ঠেলে দুজনই তৈরি সেরা একাদশে খেলার জন্য।
দুজনের মধ্যে শেষপর্যন্ত কেবল ইমরুলকে খেলাচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্ট। আফগান ম্যাচে টাইগারদের সেরা একাদশ নিয়ে আবু ধাবি স্টেডিয়ামের প্রেস-বক্সও সরগরম। বাংলাদেশি ক্রিকেট সাংবাদিকরা মশগুল নানা যুক্তি-তর্ক-আলোচনায়।

রোববার ওয়ার্মআপ শুরুর আগে মিডিয়া সেন্টারের মসজিদে যোহরের নামাজ আদায় করলেন ৭-৮ জন ক্রিকেটার। প্র্যাকটিস জার্সিতে মসজিদে নামাজ পড়তে আসেন সহ-অধিনায়ক সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মোমিনুল হক সৌরভ, মেহেদী হাসান মিরাজ, আরিফুল হক। ইমামতি করলেন ওপেনার ইমরুল কায়েস। নামাজ শেষে ওয়ার্মআপের জন্য মাঠে নেমে পড়ে টাইগাররা। পাশেই আফগানিস্তান টিম ওয়ার্মআপ শুরু করেছে আরও ১৫-২০ মিনিট আগে থেকে।
তারপর দুই দলের ক্রিকেটাররা মাঠে নেমে গেলেন। কিন্তু কি আশ্চর্য, আবু ধাবির মাঠ তো আজ পুরোই ফাঁকা। আগের দিনের মতো হৈ-চৈ অনেক কম। দর্শক নেই বললেই চলে। ঘটনাটা কি, টাইগার সাপোর্টাররা কি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন এশিয়া কাপ নিয়ে? নাকি রোদের তাপে তারা কোণঠাসা! রোববার তো ছুটির দিন না। হয়তো কাজ শেষে মাঠমুখি হবেন তারা। এবারের এশিয়া কাপে প্রথমবারের মতো টসটা জিতেছেন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। এখন ম্যাচটা জিতলেই হয়।








