চট্টগ্রাম থেকে: ঈদুল আজহার আমেজ এখনও সবার মাঝে। তৃতীয় দিনেও কেউ কেউ দিচ্ছেন পশু কোরবানি। উৎসবের আমেজের মাঝেই সোমবার চট্টগ্রামে গড়িয়েছে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট। বন্দরনগরীর বাসিন্দারা যে দিনটির জন্যে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেছিলেন সেটি বোঝা গেল ব্যাটে-বলের লড়াই শুরু হতে হতেই। কাঠফাটা রোদ উপেক্ষা করে সাগরিকার জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে যে দর্শকের দল।
সকালে দর্শক কিছুটা কম থাকলেও দুপুরের মধ্যে ভরে ওঠে গ্যালারি। স্টেডিয়ামের রুফটপ হসপিটালিটি বক্স কানায় কানায় পূর্ণ। ক্লাব হাউজ, ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডেও তরঙ্গ তুলছেন দর্শকরা! সে তুলনায় অবশ্য কিছুটা কম দর্শক পূর্ব গ্যালারিতে। বিশ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার স্টেডিয়ামে দিনের উপস্থিতি প্রায় হাজার দশেক। স্টেডিয়াম পরিপূর্ণ না হলেও গত কয়েক বছরের তুলনায় সংখ্যাটা উল্লেখযোগ্যই। টেস্ট ক্রিকেটের বিবেচনায় তো অবশ্যই।
টেস্ট ক্রিকেটে মাঠে দর্শক হয় না, এই বদনামের কিছুটা হয়ত ঘুচবে আজকের পর। টেস্টে মুশফিক-সাকিবদের পারফরম্যান্সের উন্নতিতে দর্শকদের মাঝেও বাড়ছে আগ্রহ। মিরপুরে সিরিজের প্রথম টেস্টেও দেখা গেছে প্রচুর দর্শক।

ক্রিকেটের সবচেয়ে আদি সংস্করণের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের আগ্রহ এমনিতে কম নয়। তাতে যে ভাটা পড়েনি মাঠে এসে দর্শকরা সেটিই প্রমাণ করছেন। গ্যালারি ঘুরে এমন কিছু দর্শকও পাওয়া গেল যাদের কাছে টেস্ট ক্রিকেটই নাকি আসল ক্রিকেট!
মিরপুর টেস্টের পরতে পরতে যে রোমাঞ্চ ছড়িয়েছে সেটা টেস্ট ক্রিকেটের আদর্শ বিজ্ঞাপনও। চট্টগ্রাম টেস্টেও তেমনি রোমাঞ্চ দেখার অপেক্ষায় দর্শকরা। সিরিজে ২-০ ফল দেখতে টাইগার ব্যাটসম্যানদের উৎসাহে যোগাচ্ছেন তারা।
ছবি: সাকিব উল ইসলাম







