ইকুয়েডরের সঙ্গে গোলশূণ্য ড্র করে কোপা আমেরিকার মিশন শুরু হলো ব্রাজিলের। একই রকম গোলহীন ড্র হয়েছে কোস্টারিকা ও প্যারাগুয়ের ম্যাচটিও। তবে হাইতিকে একমাত্র গোলে হারিয়ে শুভ সূচনা করেছে পেরু।
ক্যালিফোর্নিয়ার রোজবোল ব্রাজিলের জন্য ‘লাকি স্টেডিয়াম’। ১৯৯৪ বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে এ মাঠেই ইতালিকে হারিয়ে ইতিহাস হয়েছিলেন রোমারিও, বেবেতো, দুঙ্গারা।
২২ বছর আগের ওই ব্রাজিলের ক্যাপ্টেন কার্লোস দুঙ্গাই এখন এই ব্রাজিলের কোচ। তার নেতৃত্বেই আবারও রোজবোলে পাঁচবারের বিশ্বকাপ জয়ীরা। ম্যাচের শুরুতেই সদ্য প্রয়াত বক্সিং কিংবদন্তি মোহম্মদ আলির স্মরণে নীরবতা পালন করা হয়।
৮ বার কোপাজয়ী ব্রাজিলিয়ানদের লাইনআপ সাদামাট। নেইমার নেই, নেই মার্সেলো, কাকা, গুস্তাভো সিলভা কিংবা গানসো। ইনজুরিতে সবাই গেছেন একে একে। তারকাহীন ব্রাজিলের সামনে তাই সমানতালেই লড়েছে ইকুয়েডর। অন্তত প্রথমার্ধে দুদলই ছিলো সমানে সমান। দর্শক গ্যালারিতে তাই স্বস্তি পাননি নেইমার দ্য সিলভাও।
৬৫ মিনিটে ব্রাজিলের জালে একবার বলও পাঠিয়েছিলো ইকুয়েডর। কিন্তু সহকারী রেফারির সংকেতে বাতিল হয় সে গোল। রেফারির মতে, ইকুয়েডর মিডফিল্ডার বোলানোস গোলে কিক করার আগেই বল ছিলো ‘ক্রস দ্য লাইন’।

ক্যালিফোর্নিয়ার রোজাবোলের স্কোরলাইনই ছিলো ফ্লোরিডার ক্যাম্পিং ওয়ার্ল্ড স্টেডিয়ামে। কোস্টারিকার সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে মাঠ ছেড়েছে প্যারাগুয়ে। ম্যাচজুড়েই সুযোগ ছিলো প্যারাগুইয়ানদের। কিন্তু জালে বল পাঠাতে বারবার ব্যার্থতা। ইনজুরি টাইমে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় কোস্টারিকান ডিফেন্ডার কেন্ডাল ওয়াটসনকে।

দ্বিতীয় দিনের তিন ম্যাচে একটি মাত্র গোল দেখেছে কোপা আমেরিকা সেন্টেনারিও। সিয়াটলের সেঞ্চুরিলিঙ্ক ফিল্ডে হাইতিকে একমাত্র গোলে হারিয়ে শুভ সূচনা পেয়েছে গত আসরের সেমিফাইনালিষ্ট পেরু। ম্যাচের ৬১ মিনিটে গোল করে পেরুর জন্য ৩ পয়েন্ট নিশ্চিত করেন স্ট্রাইকার পাওলো গঞ্জালেজ।








