আফগানিস্তানের আরেক প্রাদেশিক রাজধানী উত্তরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শহর মাজার ই শরীফ অবরুদ্ধ করেছে তালেবানরা। সেখানে ‘অসহায়’ হয়ে পড়া সরকারি বাহিনীর সঙ্গে দেখা করেছেন প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি।
মাজার ই শরীফের নিয়ন্ত্রণ হারানো কাবুল সরকারের জন্য হবে বড় বিপর্যয়। কেননা এই শহরের নিয়ন্ত্রণের উপর নির্ভর করে তালেবান বিরোধী মিলিশিয়াদের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত পুরো উত্তরাঞ্চল দখলে নেওয়ার বিষয়টি।
প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি মাজার ই শরীফে গিয়ে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব আতা মোহাম্মদ নূর এবং বিখ্যাত যোদ্ধা আব্দুর রশিদ দস্তুমের সাথেও শহরের প্রতিরক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছেন। কারণ জঙ্গিগোষ্ঠী তালেবানরা শহরের উপকণ্ঠে এসে পড়েছে।
এরই মধ্যে দেশটির চারভাগের একভাগের বেশি অংশ দখলে নিয়েছে তালেবানরা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা বলছেন, তালেবান যোদ্ধারা কাবুল দখলে নিতে পারে ৯০ দিনের মধ্যে।
তবে আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেনারেল আব্দুল সাত্তার মিরজাকাওয়াল জানিয়েছেন, তালেবানদের রুখতে তিন ধাপের বিস্তৃত পরিকল্পনায় স্থানীয় দলগুলোকে তৈরি করা হচ্ছে। তাদের হাতে অস্ত্রও দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, আফগান সেনারা বড় শহর, সীমান্ত ও হাইওয়ে নিরাপদ করার চেষ্টা করছে।
তালেবানরা এরইমধ্যে আফগানিস্তানের গ্রামাঞ্চলের বিস্তীর্ণ অঞ্চল দখল করেছে। ২০ বছর উপস্থিতির পর মার্কিন নেতৃত্বাধীন বিদেশী বাহিনীর চূড়ান্ত প্রত্যাহারের ঘোষণার পরই মে মাসে সেখানে ধারাবাহিক আক্রমণ শুরু করে তালেবানরা।








