ব্রাসেলসের জাভেনটিম বিমানবন্দর ও মালবিক মেট্রো স্টেশনে বোমা হামলায় জড়িত
তিন সন্দেহভাজনের ছবি প্রকাশ করেছে বেলজিয়াম পুলিশ। তিনজনের মধ্যে জীবিত এক
হামলাকারীকে ধরতে ওয়ান্টেড নোটিশ জারি করে ব্রাসেলসজুড়ে অভিযান চলছে।
ব্রাসেলসে বর্বর হামলার পর সর্বোচ্চ জরুরি অবস্থায় আছে পুরো বেলজিয়াম। এর মধ্যেই নিহতদের জন্য ঘোষণা করা হয়েছে তিনদিনের রাষ্ট্রীয় শোক। ঘৃণ্য হামলায় শোকে স্তব্ধ হয়ে গেছে পুরো ইউরোপ।
বেলজিয়ামে বন্ধ রয়েছে বিমান চলাচল। তবে আবার চালু হয়েছে মেট্রো যোগাযোগ।
মঙ্গলবার পরপর কয়েকটি শক্তিশালী বোমার বিস্ফোরণে কেঁপে উঠে ব্রাসেলসের জাভেনটিম বিমানবন্দর। প্যারিস হামলার কায়দায় ঘণ্টাখানেক পরই মালবিক মেট্রো স্টেশনে হয় আরেকটি বোমা হামলা। এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৩৪, আহত কয়েকশ মানুষ।
হামলার সঙ্গে জড়িত যে তিন সন্দেহভাজনের ছবি প্রকাশ করা হয়েছে তাদের মধ্যে হামলার সময় নিহত হয়েছে দুইজন। বেঁচে থাকা একজনকে ধরতে ব্রাসেলসজুড়ে অভিযান চলছে।
মাত্র কয়েকদিন আগেই ব্রাসেলস থেকে আটক করা হয়েছিলো প্যারিস হামলার মূল পরিকল্পনাকারী আবদেসসালামকে। ওই হামলায় নিহত হয়েছিলো ১৩৭ জন। প্যারিস হামলার মতো ব্রাসেলসকে রক্তাক্ত করার দায়ও স্বীকার করেছে জঙ্গি সংগঠন আইএস।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা জানিয়েছে, হামলাকারীরা বিমানবন্দরে বিস্ফোরণের আগে ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে এবং তাদের পরনে ছিল সুইসাইড বেল্ট।
ব্রাসেলস হামলার পর ফ্রান্স, জার্মানি ও নেদারল্যান্ডসসহ ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
বর্বরোচিত হামলাকে উন্মুক্ত গণতান্ত্রিক সমাজের ওপর হামলা বলে উল্লেখ করেছেন বিশ্ব নেতারা।
নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে জাতীয় পতাকা অর্ধ নমিত রেখেছে ডাউনিং স্ট্রিট এবং হোয়াইট হাউস। নিহতদের স্মরণ করা হয় ফ্রান্সের আইফেল টাওয়ার এবং ইটালির ত্রেভি ফাউন্টেনসহ ইউরোপের অনেক ঐতিহাসিক স্থাপনায়।







