গ্রীষ্মকালীন দলবদলের সময় শেষ। চার দফা দাম হাঁকিয়েও লিভারপুল থেকে ফিলিপে কৌতিনহোকে কিনতে পারেনি বার্সেলোনা। শেষদফায় কাতালানদের ১৬০ মিলিয়ন দাম প্রস্তাবেও মন গলেনি অলরেডস কর্তাদের। এত দাম হাঁকিয়েও ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডারকে না পাওয়ার কারণ কী? দলবদলের মৌসুম শেষ হওয়া মাত্রই বার্সার দুই কর্তা জানালেন সেটিও। কৌতিনহোর জন্য নাকি ২০০ মিলিয়ন ইউরো চেয়েছিল লিভারপুল।
দলবদলের মৌসুম শেষে বার্সার ব্যর্থতা-সাফল্যের পাল্লাটা কতটুকু সেটা জানাতে শুক্রবার সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন বার্সার স্পোর্টিং ডিরেক্টর অ্যালবার্ট সোলের এবং ডিরেক্টর অব প্রফেশনাল স্পোর্টিং রবার্ট ফার্নান্দেজ।
কৌতিনহোর প্রসঙ্গ আসতেই সোলের জানালেন, ক্লাবকে বিপদে ফেলতে চান না বলে তারা পিছিয়ে গেছেন, ‘লিভারপুল কৌতিনহোর জন্য ২০০ মিলিয়ন ইউরো দাম চেয়েছিল। আর তার জন্য এত খরচ করতে গেলে আমাদের ক্লাব আর্থিক সংকটে পড়তে পারে বলে ক্লাব প্রেসিডেন্ট পিছিয়ে এসেছেন। কৌতিনহোর জন্য ক্লাবকে এমন বিপদে ফেলার কোন মানেই হয় না।’
সদ্য শেষ হওয়া দলবদলে বার্সার সাফল্য-ব্যর্থতা কতটুকু? পরিসংখ্যান বলছে ব্যর্থতার পাল্লাটাই বেশি। নেইমার পিএসজিতে চলে গেছেন। জাভির উপযুক্ত বিকল্পের খোঁজ এখন মেলেনি। চোটে জর্জর সুয়ারেজ। উপযুক্ত সঙ্গীর অভাবে মেসির হাহাকারটা বোঝা যাচ্ছে স্পষ্টভাবে। গুঞ্জন ভালো সতীর্থের অভাব মেসি চলে যেতে পারেন ম্যানসিটিতে।
কিন্তু সোলের দাবি দল চালানোর মত একঝাঁক খেলোয়াড় কিনেছেন তারা, ‘আমাদের একঝাঁক দারুণ খেলোয়াড় আছে। পাউলিনহো দারুণ খেলোয়াড়। ডেম্বেলের জন্য আমাদের ভালো পরিশ্রম করতে হয়েছে। সে অসাধারণ একজন। সেমেদোও আশা করি তার দামের যথার্থ মূল্য দেবে।’










