সরকারি চাকরিতে কোটা পূরণের ক্ষেত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা পরিপত্রে কোটা বিষয়ে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে তা অধিকতর পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এক অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় এ নির্দেশ দিয়েছেন বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম খান এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।
কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করে আসা শিক্ষার্থীদের সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের সমন্বয়ক হাসান আল মামুন লিখিত এক বক্তব্যে বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে কোটায় প্রার্থী না পাওয়া গেলে তা মেধায় পূরণ করা হবে, কিন্তু ২ এপ্রিল একটি মন্ত্রণালয় থেকে কোটা বিষয়ক ধোঁয়াশাপূর্ণ ও অস্পষ্ট পরিপত্র জারি করা হয়েছে। যা প্রধানমন্ত্রীর কোটা শিথিল ঘোষণার সাথে সাংঘর্ষিক বলে আমরা মনে করি।
এতে আরো বলা হয়, তারা সকল সরকারি চাকরি ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর কোটা শিথিল বিষয়ক ঘোষণা পূর্ণ বাস্তবায়ন চান ও বিদ্যমান বৈষম্যমূলক কোটা পদ্ধতির যৌক্তিক সংস্কারের ৫ দফা দাবির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান।
আন্দোলনকারীরা প্রধানমন্ত্রীর সাথে সরাসরি সাক্ষাতকারের মাধ্যমে বৈষম্যমূলক কোটা পদ্ধতির যৌক্তিক সংস্কারের ব্যাপারে আলোচনায় বসতেও চেয়েছিলেন তারা।
এদিকে সোমবার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দলের আলোচনা শুরু হয় কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরতদের সঙ্গে।
সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার পর সরকারের আশ্বাসে ১ মাসের জন্য কোটা সংস্কার আন্দোলন স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এ আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসান আল মামুন।








