সেন্ট পিটার্সবার্গে প্রথম সেমিফাইনালে দুই দলের ফরমেশন নিয়ে নানা আলোচনা হচ্ছে। কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে ‘ফলস নাইন’ পদ্ধতিতে খেলে সাফল্য পেয়েছে বেলজিয়াম। সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিরুদ্ধেও একই স্ট্র্যাটেজিতে বাজিমাত করতে চান কোচ রবের্তো মার্টিনেজ।
বেলজিয়ামের গতিশীল ফুটবলের সঙ্গে লড়াই ফ্রান্সের ট্যাকটিক্যাল ফুটবলের লড়াই। লড়াইটা মূলত ফরাসি স্ট্রাইকিং ফোর্স বনাম বেলজিয়ামের মিডফিল্ডে।
বিশ্লেষকদের অনুমান, শেষ চারের ম্যাচে ফরাসিরা সম্ভবত ৪-২-৩-১ ফরমেশনে খেলবে। গোলকিপার হুগো লরিসের সামনে স্যামুয়েল উমতিতি এবং রাফায়েল ভারান সেন্ট্রাল ডিফেন্ডারের ভূমিকায় থাকবেন। দুই সাইড-ব্যাক পাভার্ড আর হার্নান্দেজ। তাদের সামনে থাকবেন কন্তে আর পগবা। মাঝমাঠে মাতুইদি, গ্রিজম্যান আর এমবাপে। সঙ্গে এক স্ট্রাইকার অলিভিয়ের জিরু।
ফ্রান্সের সম্ভাব্য প্রথম একাদশ হতে পারে এমন, লরিস, ভারান, উমতিতি, হার্নান্দেজ, পাভার্ড, পগবা, কন্তে, মাতুইদি, গ্রিজম্যান, এমবাপে এবং জিরু।
বেলজিয়াম খেলতে পারে তাদের ৪-৩-৩ ছকেই। পাল্টা আক্রমণের গতিই হবে বেলজিয়ামের বড় অস্ত্র। আরও একবার ডি ব্রুইনকে দেখা যাবে লুকাকু এবং হ্যাজার্ডকে বল বাড়াতে। একটু পেছনে থাকবেন ফেলাইনি এবং উইটজেল।
মাঝমাঠের লড়াইয়ে পগবা, মাতুইদি, গ্রিজম্যান, কন্তে বনাম ফেলাইনি, উইটজেল, ডি ব্রুইন, হ্যাজার্ডের লড়াই। বেলজিয়ামের তিন ফুটবলারের মোকাবিলায় থাকবেন ফ্রান্সের পাঁচ ফুটবলার। তাই ‘ফলস নাইন’ দিয়েই ফরাসি রক্ষণ ভাঙতে চাইবেন লুকাকুরা।
বেলজিয়ামের সম্ভাব্য একাদশ হতে পারে এমন, কোর্তোয়া, অ্যালডারউইয়ারল্ড, কোম্পানি, ভেরটনঘেন, ডি ব্রুইন, উইসেল, কারাসকো, মার্টিনস, লুকাকু ও হ্যাজার্ড।







