মে মাসেও দেখা নেই ওষ্ঠাগত গরম আর স্বাভাবিক তাপদাহের। প্রতিদিনই বজ্রসহ বৃষ্টি হচ্ছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, এপ্রিলের পর চলতি মাসেও স্বাভাবিকের চেয়ে বৃষ্টি অনেক বেশি। জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের বিরুপ প্রভাবের প্রাথমিক অবস্থা স্পষ্ট। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং প্রকৃতি নির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থাপনায় নতুন করে ভাবতে হবে।
মার্চ-এপ্রিল-মে এদেশে গ্রীষ্মকাল। ভ্যাপসা গরম এই তিন মাসের স্বাভাবিক ধরন। অনেক চেয়ে মাঝে মাঝে পাওয়া বৃষ্টি যেনো প্রাণ জুড়ানো। এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। এপ্রিল মাসে সারাদেশে স্বাভাবিকের চেয়ে বৃষ্টি বেশি ছিলো ৩৬ দশমিক ৭ শতাংশ। চলতি মাসের প্রথম তিন সপ্তাহে ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। গত বছরের মে মাসে এই সময়ে এখনকার চেয়ে বৃষ্টি কম ছিলো ১৬ দশমিক ১ শতাংশ।
আবহাওয়া অফিসের রেকর্ড অনুযায়ী, মে মাসে গড় তাপমাত্রা থাকে ৩৭ থেকে সর্বোচ্চ ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। চলতি মাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৮ তারিখ, সেদিন তাপমাত্রা ছিলো ৩৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, প্রতিনিদিনই সারাদেশে বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্র ঝড়সহ বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা কম থাকছে।
জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্রীষ্ম ও বসন্ত কালের ঋতু বৈচিত্র্যও এ বছর আলাদা করে বোঝা যায়নি। আবার বর্ষার আগেই বর্ষার আবহাওয়া পরিস্থিতি। ফল-ফসলেও এর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।
মে মাসে বাকি ক’দিনও বৃষ্টির পূর্বাভাস আছে। সিলেট ও রংপুর এলাকার নিম্নাঞ্চলের আকস্মিক বন্যা হলেও বড় ধরনের আগাম বন্যার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আরও দেখুন জান্নাতুল বাকেয়া কেকার ভিডিও রিপোর্টে:







