গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার পর থেকে গুলশান, বারিধারা ও
বনানীর কূটনৈতিক এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।
ওই সব এলাকার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশের উপ-কমিশনার (ডিসি) জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, হামলার প্রেক্ষাপটে
বিভিন্ন দূতাবাস ও বিদেশী মালিকানাধীন রেষ্টুরেন্টগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানোর
কথা বলে চিঠি দেয়া হয়েছে।
এরই মধ্যে হলি আর্টিজান বেকারীর সামনে অতিরিক্ত পুলিশ ও গোয়েন্দা মোতায়ন করা হয়েছে। কাউকেই রেষ্টুরেন্ট এলাকায় প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না।
পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, গুলশানের ঘটনায় পুলিশের পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
জঙ্গি হামলার পেছনে আর কারা জড়িত, এ বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, এই হামলার ঘটনায় সন্দেহভাজনদের চিহ্নিত করে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
তবে আইজিপি এ কে এম আজ শহীদুল হক আজ শনিবার কিশোরগঞ্জে হামলাস্থল এবং শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ পরিদর্শন শেষে সেখানে হামলার সাথে গুলশান হামলার যোগসূত্র রয়েছে বলে জানান। আটকদের কাছে থেকে এমন তথ্য পাওয়ার কথা জানান তিনি।
আইজিপি বলেন, গুলশানে হামলা জেএমবির জঙ্গিরা করছে, কিশোরগঞ্জে তারাই হামলা করছে। ঈদের জামাতের আগে শোলাকিয়া ঈদগাহ্ মাঠের কাছে আজিমুদ্দিন
স্কুলের পাশে সন্ত্রাসী হামলায় দুই পুলিশ সদস্য, এক নারী ও এক হামলাকারী
নিহত হয়।
আইজিপি বলেন, গুলশানে হামলাকারী পাঁচজনকে আমরা জেএমবির সদস্য হিসেবে অনেক আগে থেকেই খুঁজছিলাম। তাদের ছদ্মনামগুলো আমাদের কাছে ছিল।
হলি আর্টিজান বেকারীতে নিহতদের স্মরণে ঘটনাস্থলে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাচ্ছে বিভিন্ন সংগঠন ।







