অনেক সময় সম্পর্ক চুকিয়ে যাবার পরও অনেক ঘটনা ঘটে, যা নতুন করে সম্পর্ককে মনে করিয়ে দেয়। তেমনি একটা ঘটনা হলো প্রাক্তনের বিয়ে। বেশিরভাগ সময়ে কথাগুলো প্রথমে শোনা হয় লোকমুখে। একসময়ে দেখা যায়, তা সত্যিই ঘটছে। বিয়েতে কখনও দাওয়াত আসে, আবার কখনও আসে না। দুটো পরিস্থিতি-ই অস্বস্তিকর। কী করবেন এমন পরিস্থিতিতে!
বিয়েতে দাওয়াত পেলে কী করবেন
১. খুব সাবলীলভাবে নিজেকে উপস্থাপন করুন। কারণ, সে শুধু আপনার ভালোবাসার মানুষ ছিল তা নয়, ভালো বন্ধুও বটে। তাই অন্য বন্ধুর বিয়েতে যেভাবে অংশগ্রহন করতেন সেখানেও তাই করুন।
২. তাদের জন্য শুভকামনা জানান। আর সেটা শুধু লোকদেখানো নয়, বরং মন থেকেই করার চেষ্টা করুন।
৩. সুন্দর কোনো উপহার সামগ্রী নিয়ে সেখানে হাজির হোন। পরিবেশের সাথে মিলিয়ে চলুন, দেখবেন আপনার ভালো লাগছে।

৪. প্রাক্তনের বিয়েতে আপনাদের পুরোনো বন্ধুরাও তো অংশ নিবে। অনুষ্ঠানে তাদের সাথে সুন্দরভাবে মিশে যান।
৫. এমন কোনো কথা বা আচরণ করবেন না, যা দৃষ্টিকটু দেখায়।
৬. প্রাক্তনের সঙ্গীর সাথে পরিচিত হোন, আর তাকে বন্ধুর মতো ট্রিট করুন।
বিয়েতে দাওয়াত না পেলে কী করবেন
১. অনেক সময় পরিবেশ-পরিস্থিতির কারনে প্রাক্তনের বিয়েতে দাওয়াত পাওয়া হয় না। তাতে কি! তার জন্য দূর থেকেই শুভকামনা জানান।
২. আশেপাশের লোকজনের নানারকম কথা এড়িয়ে চলুন। অন্যের কাছে থেকে বাড়তি কোনো তথ্য নিতে যাবেন না। যা ঘটছে তা তো সবাই একসময় জানবে। তাই কী দরকার আগ বাড়িয়ে তথ্য নেবার!
৩. রাগ বা ক্ষোভের বশে এমন কোনো আচরণ করবেন না বা কথা বলবেন না, যাতে নতুন করে ঝামেলা তৈরি হয়। কারন, চুকিয়ে যাওয়া সম্পর্ক নতুন করে তুলে ধরার কী দরকার!
৪. বিয়েকে কেন্দ্র করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাবেন না। এতে দুজনেরই সম্মান নষ্ট হবে।
৫. অন্য বন্ধুরা যারা সেই বিয়েতে অংশ নেবে তাদের সাথে অন্য সময়ের মতো স্বাভাবিকভাবে চলুন। তাদেরকে এড়িয়ে চলারও দরকার নেই, আবার আগ বাড়িয়ে বেশি বেশি মেশারও প্রয়োজন নেই।
সর্বোপরি, সবকিছুকে জীবনের নিয়ম মেনে নেন। আপনার যদি সঙ্গীর প্রয়োজন হয় কিংবা কাউকে বাঁধনে বাঁধতে হয় তবে তাকে খুঁজুন। আর যদি নতুন সঙ্গী হয়ে যায় তাকে বুঝে চলার চেষ্টা করুন। এককথায়, জীবনটাকে স্বাভাবিক, সুন্দর করে এগিয়ে নিয়ে যান। ফেমিনা।
ছবি: ইন্টারনেট থেকে নেয়া।









