বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।
তবে কারাগারে ডিভিশন দেওয়ার পাশাপাশি তার চিকিৎসা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম মাহমুদা আক্তার এ আদেশ দেন।
আদালতে রফিকুল ইসলাম মিয়ার বিষয়ে শুনানি করেন আইনজীবী তাহেরুল ইসলাম তুহিন। তিনি আসামির জামিন, চিকিৎসা ও ডিভিশন দেওয়ার আবেদন করেন।
শুনানি শেষে আদালত রফিকুল ইসলাম মিয়ার জামিন না মঞ্জুর করেন। পাশাপাশি চিকিৎসা ও ডিভিশনের বিষয়টি জেলকোড অনুসারে ব্যবস্থা নিতে হবে বলে জানায় আদালত।
আদালতের আদেশের পর রফিকুল ইসলামকে কেরানীগঞ্জে অবস্থিত কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাকে একটি প্রিজন ভ্যানে করে নিয়ে ডিবি কার্যালয় থেকে পুরান ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে নেওয়া হয়।
সকাল থেকেই রফিকুল ইসলামের স্ত্রীসহ আত্মীয়-স্বজন ও দলের নেতাকর্মীরা আদালতপাড়ায় আসেন।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইস্কাটনের নিজ বাসভবন থেকে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যরা রফিকুল ইসলাম মিয়াকে গ্রেপ্তার করে।
দুদকে সম্পদের হিসাব দাখিল না করার মামলায় ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে মঙ্গলবার তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এই রায় ঘোষণা করেন। ওই রায়ের পর বিএনপির এ নেতাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
২০০১ সালের ১০ জুন দুদক রফিকুল ইসলাম মিয়াকে তার সম্পদের হিসাব জমা দেওয়ার নোটিশ দেয়। কিন্তু তিনি সম্পদের বিবরণ জমা দেননি।
সম্পদের বিবরণ জমা না দেওয়ার অভিযোগে দুদকের কর্মকর্তা লিয়াকত হোসেন বাদী হয়ে ২০০৪ সালের ১৫ জানুয়ারি রফিকুলের বিরুদ্ধে উত্তরা থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে একই কর্মকর্তা ওই বছরের ৩০ নভেম্বর আদালতে রফিকুলের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন।
আদালত ওই অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ২০১৭ সালের ১৪ নভেম্বর রফিকুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন।









