মনে পড়ে কানিতকারকে? পুরো
নাম হৃশিকেশ কানিতকার। অবশ্য মনে রাখার মতো তেমন আহামরি কোনো পারফরম্যান্স
ছিলো না ভারতের সাবেক এই অলরাউন্ডারের। তবে ছোট ক্যারিয়ারে সবচে বেশি
পরিচিতি তিনি পেয়েছিলেন বাংলাদেশে খেলতে এসে।
সেটা ১৯৯৮
সালের ইন্ডিপেন্ডেন্স কাপ ক্রিকেটের ফাইনালে। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে কনকনে
শীতের মধ্যে আলোর স্বল্পতায় টানটান উত্তেজনার ওই ম্যাচে মুখোমুখি দুই
চিরশত্রু ভারত ও পাকিস্তান। সেই যুদ্ধে ইনিংসের শেষ ওভারের ঠিক আগের বলে
পাকিস্তানী অফ-স্পিনার সাকলাইন মুস্তাককে বাউন্ডারি মেরে ভারতের
‘চ্যাম্পিয়নশীপ’ নিশ্চিত করেছিলেন কানিতকার।
এরপর থেকে
ভারতে ব্যাপক জনপ্রিয়তা বেড়েছিলো তার। বাঁ-হাতে লোয়ার মিডলঅর্ডারে ব্যাট
এবং ডানহাতে অফ স্পিন বোলিং করতেন পুনের এই ক্রিকেটার। ৪০ বছর বয়সে এসে সব
ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। অবশ্য গত বছর খানেক ধরে
প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটেও খুব একটা দেখা যায়নি
তাকে।
অবসর নিলেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সঙ্গেই থাকছেন
কানিতকার। কোচিংয়ে ক্যারিয়ার গড়ার পাশাপাশি টেলিভিশনে ধারাভাষ্যকার হিসেবেও
আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছেন তিনি। তবে তার আগে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আরও বেশি
সময় কাটানোর কথা বলেছেন ভারতের পক্ষে ৩৪টি একদিনের ম্যাচ এবং ২টি টেস্ট
খেলা হৃশিকেশ কানিতকার।






