কানাডার পার্লামেন্টে মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন দলের নেতা অং সান সু চির সম্মানসূচক নাগরিকত্ব বাতিলের প্রস্তাব পাস হয়েছে।
মিয়ানমারে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর ‘গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ’ ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ায় সু চির বিরুদ্ধে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কানাডার পার্লামেন্ট।
এর আগে গত সপ্তাহে কানাডার হাউজ অব কমনস সর্বসম্মতিক্রমে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা হত্যাকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে প্রস্তাব পাস করে।
সু চিকে কানাডাতে যে সম্মানসূচক নাগরিকত্ব দেয়া হয়েছে, সেটি বাতিলে পার্লামেন্ট প্রস্তাব ওঠার আগের দিন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো জানান, সু চিকে নাগরিকত্বের সম্মান জানানোর প্রয়োজন আর আছে কি না, তা পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে।
তবে নাগরিকত্ব বাতিলের পরবর্তী পদক্ষেপসমূহ কি হবে সে নিয়ে তাৎক্ষনিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। যদিও, এ পদক্ষেপের কারণে লাখ লাখ রোহিঙ্গার দুর্দশা লাঘব হবে না বলে ট্রুডো উল্লেখ করেছেন।
কানাডাতে এ পর্যন্ত মাত্র ছয়জন মানুষকে সম্মানসূচক নাগরিকত্ব দেয়া হয়েছে। ফলে এটি অত্যন্ত বিরল এক সম্মান ছিল সু চির জন্য।
১৯৭৭ সালে কানাডার পার্লামেন্ট অং সান সু চিকে সম্মানসূচক নাগরিকত্ব দিয়েছিল। সেই সময়কার কনজারভেটিভ প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন হারপার নিজে সংসদে প্রস্তাবটি তুলেছিলেন।
এর আগেও একই ইস্যুতে বেশ কয়েকটি শহর এবং প্রতিষ্ঠান সু চিকে দেয়া সম্মাননা প্রত্যাহার করে নিয়েছে।









