‘ইলিয়াস কাঞ্চন ভাই সব শিল্পীকে ডেকে বলতে পারতেন, শিল্পী সমিতির দায়িত্ব নিতে চাই। তিনি সবাইকে ডেকে এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করলে কেউ তার বিপক্ষে নির্বাচন করতো না। কিন্তু তিনি একটি প্যানেল বেছে নিলেন। তারমানে তিনি একটি পক্ষের হয়ে গেলেন। কাঞ্চন ভাইয়ের মতো মানুষের একটি পক্ষের হওয়া উচিত নয়। তিনি আমাদের গর্বের, সবার হওয়া উচিত ছিল।’
আসন্ন শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ইলিয়াস কাঞ্চনের সভাপতি পদপ্রার্থী হওয়াকে কেন্দ্র করে চ্যানেল আই অনলাইনকে এসব কথা বলেন আরেক প্যানেলের সেক্রেটারি পদপ্রার্থী জায়েদ খান।
তিনি বলেন, মিশা ভাই এবং আমি ব্যক্তিগতভাবে কাঞ্চন ভাইয়ের অফিসে গিয়েছিলাম। মিশা ভাই অনুরোধ করেছিলেন, কাঞ্চন ভাই আপনি কোনো প্যানেলে যাবেন না।
‘যদি নির্বাচন করতে চান, আমার প্যানেলে করেন, আমি নিজের পোস্ট ছেড়ে দেব। কিন্তু ইলিয়াস কাঞ্চন ভাই কেন এই নির্বাচন করছেন? এটা আমার প্রশ্ন।’
জায়েদ খান আরও বলেন, আমাদের পুরো প্যানেল নিয়ে কাঞ্চন ভাইয়ের কাছে গিয়েছিলাম। বলেছিলাম, ভাইয়া আপনি কারও পক্ষে গিয়ে কাজ করবেন না। আপনি ইলিয়ান কাঞ্চন সবার। কিন্তু তিনি আমাদের ফিরিয়ে দিয়েছেন। আমাদের নায়ক রাজ্জাক ভাই, জসিম ভাই, ওয়াসিম ভাই বেঁচে নেই। কয়েকজন আছেন যারা সবাই অসুস্থ। নিয়মিতদের মধ্যে কাঞ্চন ভাই আছেন।
‘তিনি আমাদের কাছে মোস্ট সিনিয়র এবং সম্মানিত ব্যক্তি। তাই কাঞ্চন ভাইয়ের একটি পক্ষ নিয়ে নির্বাচন করা উচিত হয়নি।’
জায়েদ খানের এমন কথার প্রেক্ষিতে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘মিশা-জায়েদ বলা উচিত মনে করে আমাকে বলেছিল। তাদের কথায় আন্তরিকতা পাইনি। কিন্তু নিপুণ আমাকে নির্বাচনে সাথে নেয়ার জন্য দিনের পর দিন উঠেপড়ে লেগেছিল। দশদিন সময় নিয়ে সবকিছু জেনে বুঝে খোঁজখবর নিয়ে পরে নিপুণের সঙ্গে প্যানেল করে নির্বাচনে অংশ নিয়েছি।’
এ প্রসঙ্গে জায়েদ খান বলেন, ‘কাঞ্চন ভাই যখন একটি প্যানেল বেছে নিলেন স্বাভাবিকভাবে আমাকেও আরেকটি দিতে হলো। কাঞ্চন ভাইয়ের প্রতি যদি আন্তরিকতার অভাব থাকতো তবে কখনই আমরা মিশা-জায়েদ কমিটিতে একাধিকবার তাকে উপদেষ্টা বানাতাম না। তিনি সবসময় আমাদের কাছে শ্রদ্ধার জায়গায় ছিলেন।’
২৮ জানুয়ারি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদপ্রার্থী হয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। তার প্যানেলের সেক্রেটারি পদে আছেন নিপুণ। অন্য প্যানেল থেকে ইলিয়াস কাঞ্চনের প্রতিদ্বন্দিতা করছেন মিশা সওদাগর এবং নিপুণের প্রতিদ্বন্দিতা করছেন জায়েদ খান।
এছাড়া দুই প্যানেল থেকে নির্বাচনে পরষ্পরের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রিয়াজ, রুবেল, ডিপজল, ডিএ তায়েব, সাইমন, নিরব, ইমন, পরীমনি, অঞ্জনা, অরুণা বিশ্বাস, রোজিনা, অরুণা বিশ্বাস, জয় চৌধুরী, সীমান্ত, মৌসুমিসহ অনেকে। আসন্ন নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ৪২৮ জন।








