মালিবাগ-মৌচাক-মগবাজার ফ্লাইওভার পুরোপুরি চালু হওয়ার পর এ রোডে যান চলাচল বেড়েছে। আর এ বাড়তি চাপ গিয়ে পড়েছে শাহবাগ-ফার্মগেটের কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউতে। ফলে দীর্ঘ হচ্ছে যানবাহনের সারি, মন্থর হচ্ছে গতি, সিগনালে লাগছে বাড়ি সময়। অতিরিক্ত এ চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ট্রাফিক পুলিশের।
রোববার সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, বাংলামোটর থেকে কাওরান বাজারের সার্ক ফোয়ারা পর্যন্ত রাস্তা পুরোটা যানজটে স্থবির। একই অবস্থা দেখা যায় পরিবাগ থেকে বাংলামোটর পর্যন্তও। উল্টোদিকের রাস্তাও ছিল যানবাহনে ঠাসা।
শান্তিনগর, রাজারবাগ হয়ে মালিবাগ-মৌচাক-মগবাজার ফ্লাইওভার পার হয়ে গাড়িগুলো আটকে ছিল বাংলামোটর সিগনাল পার হওয়ার অপেক্ষায়। প্রতিটি রোডেই যানবাহনের বাড়তি চাপ থাকায় সিগনাল পার হতে লাগছিল বাড়তি সময়।
বাংলামোটর সিগনাল পার হতে দেরি হওয়ায় যানবাহনের সারি পরিবাগ-শাহবাগ হয়ে মৎস্যভবন পর্যন্ত গিয়ে ঠেকছে। প্রভাব পড়ছে শাহবাগ হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি কার্জন হল পর্যন্তও।
বাংলামোটর মোড়ে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্য গণেশ রায় চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন: ফ্লাইওভার চালু হওয়ার পর যানবাহনের চাপ আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। রাজারবাগ শান্তিনগর থেকে যানবাহনগুলো ফ্লাইওভার পার হয়ে সোজা চলে আসছে বাংলামোটর সিগনালে। তাই বাড়তি চাপ পড়ছে এখানে।
‘চাপ সামাল দিতে এই সিগনালটি (ফ্লাইওভারের দিক থেকে আসা) বেশি সময় ছেড়ে রাখতে হচ্ছে’ বলেন এই ট্রাফিক পুলিশ সদস্য।
সাতরাস্তা-মগবাজার-হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল পর্যন্ত অংশটি গত বছরের ৩০ মার্চ যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া দেওয়ার পর থেকে একই অবস্থা দেখা যায় শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ সড়কের সাতরাস্তা থেকে মহাখালী পর্যন্তও। অফিসে যাওয়া আসার সময়সহ দিনের বেশিরভাগ সময়ই এ সড়কে দেখা যায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি।
তবে ফ্লাইওভার পুরোপুরি চালু হওয়ার পর থেকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি দেখা যায় মগবাজার-মৌচাক এবং মালিবাগ এলাকায়। ফ্লাইওভারের নিচের সড়কে যানবাহনের চাপ না থাকায় কমেছে যানজট। স্বস্তি ফিরেছে এলাকাবাসীর মনে।
মগবাজর মোড়ে কথা হয় ইস্কাটন রোডের একজন দোকানি বেলায়েত হোসেনের সঙ্গে। চ্যানেল আই অনলাইনকে তিনি বলেন: গত চারটি বছর এই সড়কের অবস্থা ছিল ভয়াবহ। সারাদিনই লেগে থাকতো জট। তবে ফ্লাইওভার চালু হওয়ার পর সে চাপ কিছুটা কমেছে। স্বাভাবিকভাবেই যানবাহনগুলো চলাচল করতে পারছে।









