ভারতের কলকাতায় পৌরসভা নির্বাচন শুরু হয়েছে। রোববার স্থানীয় সময় সকাল সাতটায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলবে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত। এ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে আগামী ২১ ডিসেম্বর।
করোনাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভোট দিচ্ছেন নগরীর বাসিন্দারা। করোনা প্রতিরোধে তাপমাত্রা মেপে বুথে ঢোকানো হচ্ছে ভোটারদের। স্যানিটাইজারের ব্যবস্থাও রয়েছে প্রতিটি বুথে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, কলকাতা পৌরসভা ১৪৪টি ওয়ার্ড, ১৬টি ব্যুরো অফিস ও ২০৪ বর্গকিলোমিটার জায়গা নিয়ে গঠিত। ৪ হাজার ৯৫৯টি বুথে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এ ভোট দিচ্ছেন সিটির ৪০ লাখ ৪৮ হাজার ৩৫৭ ভোটার।
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন কমিশন বলছে, কঠোর নিরাপত্তা এবং করোনাবিধি মেনে বিধানসভা ভোটের মতোই কলকাতা পৌরসভার ভোটগ্রহণ চলছে। এজন্য প্রায় ৪০ হাজার ভোটকর্মী নিয়োগ করা হয়েছে, কেনা হয়েছে প্রায় ১০ লাখ মাস্ক। নিয়োগ করা হয়েছে ৪ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী। রাখা হয়েছে ৩২টি অ্যাম্বুলেন্স।
এছাড়া রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশ মিলিয়ে প্রায় ২৩ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। ভোটকেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে রাখা হয়েছে ১৪৪ ধারা। কলকাতায় প্রায় ৫ হাজার ভোটকেন্দ্রই সিসিটিভি মাধ্যমে ভোটের নজরদারি চালাচ্ছে কমিশন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে, এবার এক হাজার ১৩৯ বুথকে ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। পাশাপাশি ৭৮৬ বুথকে অতি স্পর্শকাতরের তালিকায় রাখা হয়েছে। রাখা হয়েছে ৭৮টি কুইক রেসপন্স টিম। আছে ২৮৬টি সেক্টরে অতিরিক্ত সশস্ত্র বাহিনী পুলিশ। পাশাপাশি প্রতিটি বুথে সিসিটিভি ক্যামেরার বন্দোবস্ত করা হয়েছে।
এরমধ্যেই সংবাদমাধ্যমে তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রভাব বিস্তার ও সংঘর্ষের কিছু অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করছে তৃণমূল কংগ্রেস।
২০১৫ সালে সর্বশেষ কলকাতা পৌরসভার ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই নির্বাচনে ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে তৃণমূল ১১৪, বামফ্রন্ট ১৫, বিজেপি ৭, কংগ্রেস ৫টি এবং অন্যরা ৩টিতে জয় পেয়েছিল।







