বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন সমুন্নত আছে উল্লেখ করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, বিরোধীদের গণগ্রেফতার, গুম এবং গণমাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ আরোপের কথা নাকচ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এছাড়া গত নির্বাচনে বিএনপি’র অংশ না নেওয়ার বিষয়টি নিয়েও কথা বলেছেন তিনি।
রাজধানীতে বসে আন্তর্জাতিকভাবে প্রভাবশালী সংবাদপত্র ‘দ্য গার্ডিয়ান’ কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা এসব অভিযোগ প্রত্যাখান করে দেশ, জনগণ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় নেওয়া তার সরকারের উদ্যোগগুলো তুলে ধরেন।
শেখ হাসিনা বলেন,‘আমি দেশের সাধারণ মানুষের জন্য রাজনীতি করি। আমি রাজনীতি করি জনতার জন্য, নিজের জন্য নয়। জনগণ গণতন্ত্রের সুফল পাচ্ছে। জনগণ চায় মৌলিক অধিকারগুলো পূরণ করতে। আমি সেগুলো মেটানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমি তাদের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং কর্মসংস্থান তৈরির মাধ্যমে তাদেরকে উন্নত জীবনের নিশ্চয়তা দিতে কাজ করছি’।
২০২১ সালের মধ্যে দেশ মধ্যম আয়ের দেশ হবে আর ২০৪১ সাল নাগাদ বিশ্বে ও উন্নত দেশের কাতারে দাঁড়াবে বাংলাদেশ। সে লক্ষ্যেই কাজ করছি। দেশের সকল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হচ্ছে, জনগণ সুফল পাচ্ছে। ‘আমি কর্তৃত্ব করছি এমনটা বলা ঠিক হবে না বরং আমি জনগণের সেবা করছি’।
দেশের গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে গার্ডিয়ানের এমন দাবিও নাকচ করে দিয়ে পাল্টা প্রশ্ন রেখে প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘তাহলে দেশের গণমাধ্যমে পরির্বতনটা এনেছে কে? আমিই এনেছি, আমিই গণমাধ্যমকে উন্মুক্ত করেছি। এখন দেশে ৪১ টি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এবং প্রায় ৭’শ সংবাদপত্র চালু আছে। তারা স্বাধীনভাবেই লিখছে, প্রকাশ করছে। এমনকি বেসরকারি সংস্থা বা এনজিওগুলোও সংশ্লিষ্ট আইন মেনে কাজ করতে পারছে।
বিএনপি’র মতো বড় দল নির্বাচনে অংশ না নেওয়া প্রসঙ্গে গার্ডিয়ানের প্রশ্নের উত্তরে শেখ হাসিনা বলেন,‘বিএনপি নিজের পায়ে নিজে গুলি করেছে। গত নির্বাচনে অংশ না নেওয়াটা ছিলো বিএনপি নেত্রী খালেদার রাজনৈতিক ভুল।






