চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস মোকাবেলায় প্রয়োজন ৩০ বিলিয়ন ডলার: ডব্লিউএইচও

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলেছে, কোভিড-১৯ টেস্ট, ভ্যাকসিন উন্নয়ন ও উৎপাদন এবং চিকিৎসায় বৈশ্বিক উদ্যোগ জোরদারে আগামী বছরে ৩০ বিলিয়নের বেশী অর্থের প্রয়োজন হবে।

মহামারি মোকাবেলায় বৈশ্বিক সমন্বিত প্রচেষ্টা জোরদারে গত এপ্রিলে শুরু হওয়া এক্সেস টু কোভিড-১৯ টুলস (এসিটি) হিসেবে পরিচিত উদ্যোগের আন্তর্জাতিক ব্যয় বিবরণী তুলে ধরে ডব্লিউএইচও শুক্রবার ৩১.৩ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের জন্য বিশ্বের দেশগুলোর প্রতি আহবান জানিয়েছে।

জাতিসংঘের এই সংস্থা বলেছে, এ পর্যন্ত ৩.৪ বিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে, এই মুহূর্তে জরুরি প্রয়োজন মেটাতে ১৪ বিলিয়ন ডলারসহ আগামী ১২ মাসে মোট ২৭.৯ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন।

শনিবার ব্রাসেলস-এ এটিসি উদ্যেগে সহায়তা বিষয়ক বৈঠকের প্রক্কালে ডব্লিউএইচও এই ঘোষণা দেয়। এটিসি উদ্যেগ বিষয়ে বিশেষদূত নগোজি ওকোনজো আইয়েলা এক ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান।

তিনি বলেন, আমরা যদি এখন গুরুত্ব না দেই তাহলে মানুষের প্রণিহানি এবং অর্থনৈতিক বিপর্যয় আরো গুরুতর হবে।

তিনি এমন সময়ে এ বক্তব্য দিলেন যখন বিশ্বে করোনা মহামারিতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪ লাখ ৯০ হাজার এবং আক্রান্তের সংখ্যা ৯.৬ মিলিয়ন ছাড়িয়েছে।

ডব্লিউএইচও প্রধান বলেছেন, এটি স্পস্ট যে কোভিড ১৯ নিয়ন্ত্রনে আনতে এবং মানুষের জীবন বাঁচাতে আমাদের অস্বাভাবিক দ্রুত গতিতে বিপুল পরিমাণ কার্যকর ভ্যাকসিন, টেস্ট এবং থেরাপির প্রয়োজন হবে।

তিনি সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার মূলনীতির প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। বলেন, কোভিড-১৯ মোকাবেলায় ভ্যাাকসিন, টেস্ট এবং থেরাপি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

২০২১ সালের মাঝামাঝি নাগাদ সম্ভাব্য ৫০ কোটি টেস্ট এবং নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর ২৪ কোটি ৫০ লাখ মানুষের চিকিৎসা সুবিধা দিতে এই তহবিলে সহায়তার অনুরোধ জানান হয়েছে। আগামী বছরের শেষ নাগাদ তাদের ২ বিলিয়ন ভ্যাকসিন ডোজ সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে।

বিশ্বব্যাপী প্রায় ২২০টি ভ্যাকসিন উন্নয়নের চেষ্টা চলছে, এরমধ্যে ১৫টির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে।