কক্সবাজারের প্রবল বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। গত ৩দিনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ জনে।জেলার কিছু এলাকা থেকে বন্যার পানি নামতে শুরু করলেও নিচু এলাকায় বন্যার পানি আরো বাড়ছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
জেলার চকরিয়া, রামু, পেকুয়া ও সদর উপজেলার ৩০টি ইউনিয়নের ২ লক্ষ মানুষ এখনো পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে। সড়কের উপর পানি প্রবাহিত হওয়ায় গত ৩ দিন ধরে কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়ক, রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি সড়ক, চকরিয়া-মগনামা সড়কের যোগযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
কক্সবাজার টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের একটি ব্রিজ ধসে যাওয়ায় ওই সড়ক দিয়েও যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। মাতামুহরী ও বাকখালী নদীর পানি এখনো বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মাতামুহরী ও বাকখালী নদীর পানি এখনো বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে আনি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সবিবুর রহমান জানিয়েছেন।
কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার গর্জনিয়া,কচ্চপিয়াসহ ৮টি ইউনিয়নে বন্যার পানি কিছুটা কমেছে। তবে এখনো ৫০টি গ্রামের প্রায় ৭০ হাজার পানি বন্দি অবস্থায় রয়েছে বলে উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজুল আলম জানিয়েছেন। পানিতে ডুবে রয়েছে অনেক বাড়ি-ঘর।
কক্সবাজার জেলার ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক ড. অনুপম সাহা জানিয়েছেন, জেলায় বন্যাদুর্গতদের মধ্যে ১৪৫ মে.টন চাল, নগদ ১১ লক্ষ টাকা, ৫০ বস্তা চিড়া বরাদ্দ বিতরণ করা হয়েছে।
এছাড়াx প্রতিটি মৃত পরিবারের জন্য ২০ হাজার টাকা করে নগদ সাহায্য বরাদ্দ করা হয়েছে।।
তিনি আরো জানান, জেলায় বন্যাদুর্গত এলাকায় ১৪১টি আশ্রয় কেন্দ্রে এই পর্যন্ত ৬৫ হাজার ২’শ জনকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়বিদ একে এম নাজমুল হক জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘন্টায় কক্সবাজারে ১৩৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের রের্কড করা হয়েছে।






