২ দিনের বৃষ্টিতে কক্সবাজারের কিছু এলাকায় আবারো বন্যা দেখা দিয়েছে। মৌসুমী বায়ু সক্রিয় হওয়ায় সাগর উত্তল রয়েছে। দেয়া হয়েছে ৩ নং স্থানীয় সর্তক সংকেত। পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে কক্সবাজার শহর। পাহাড় ধসে ও পানিতে ডুবে নিহত হয়েছে ২ জন ।
সোমবার থেকে কক্সবাজারে ভারি বৃষ্টি শুরু হলে জেলার রামু, চকরিয়া ও সদরের কিছু এলাকায় বন্যা দেখে দেয়। বিশেষ করে শহরে অনেক পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। শহরের প্রধান সড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিলো ৮ ঘন্টা। আজ সকাল ১১ টার দিকে কক্সবাজার শহরতলির ঝিলংজা মুহরী পাড়া নামক স্থানে পাহাড় ধসে পড়ে ঐ এলাকার আবু তাহেরের বাড়ীর উপর । সঙ্গে সঙ্গে বাড়ীর সবাই বের হয়ে যায়। কিন্তু আবার বই আনতে বাড়ীতে প্রবেশ করে ৯ম শ্রেনীর ছাত্রী ফারজানা আকতার (১৪) গুরুতর আহত হয়। পরে হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে বলে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন জানন।
রামুর গর্জনিয়া এলাকায় আজ সকালে আবুল হোসেন নামের এক বয়স্ক কৃষক পানিতে ভেসে যায়। দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে তার লাশ পাওয়া গেছে বলে পুলিশ জানায়। কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ একে এম নাজমুল হক জানান, উত্তর বঙ্গোপসাগরে মৌসুমী বায়ু সক্রিয় থাকার এর প্রভাবে বজ্রমেঘের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে উত্তাল রয়েছে সাগর। কক্সবাজার, চট্রগ্রাম, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দর কে দেয়া হয়েছে ৩ নং স্থানীয় সর্তক সংকেত। গত কাল ১২ টা থেকে (২৪ ঘন্টায় ) আজ দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ২৫৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস।
এ বৃষ্টি আরো কয়েকদিন অব্যাহত থাকবে বলে ও জানান আবহাওয়া অফিস।






