আইপিএলে বড়ভাইয়ের মতো সঙ্গ পেয়েছেন তার থেকে। ‘ছোটভাই’য়ের জন্য ওই ওয়ার্নার বাংলা পর্যন্ত শেখার চেষ্টা করেছেন। গত জন্মদিনে টুইট করেছিলেন। এই জন্মদিনে মাঠে একে-অপরের প্রতিপক্ষ। সেই লড়াইয়ে ছোটভাই মোস্তাফিজের বলে হার মানতে হয়েছে ওয়ার্নারকে।
ফেরার আগে অবশ্য শতক তুলে বাংলাদেশকে বিপদে রেখেছেন। তখন ১২৩ রানে ব্যাট করছিলেন। ২৩ বছরে পা দেয়া ফিজের শর্টবল লেগ গালির উপর দিয়ে মারতে যেয়ে ইমরুল কায়েসের হাতে পড়েন।
এদিন বৃষ্টির কারণে লাঞ্চের বেশ পরে বল মাঠে গড়ায়। ওয়ার্নারের সঙ্গে ১৫২ রানের জুটি গড়ে ফিরে যান হ্যান্ডসকম্ব।
ওয়ার্নার-হ্যান্ডসকম্ব সিঙ্গেলের জন্য তখন মরিয়া। সেঞ্চুরি থেকে তিন রান দূরে ওয়ার্নার। নাসিরকে মিডউইকেটে ঠেলেই রান নিতে যান। হঠাৎ ফিরে আসেন। ততক্ষণে হ্যান্ডসকম্ব (৮২) অনেক দূর চলে এসেছেন। সাকিব দেরি না করে সরাসরি থ্রো’তে স্টাম্প ভেঙে দেন।

হ্যান্ডসকম্ব ফিরে যাওয়ার পর ২০৯ বলা খেলা ওয়ার্নার সেঞ্চুরি তুলে নেন। এটি তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে ধীরগতির সেঞ্চুরি। এর আগে ভারতের বিপক্ষে ২০১৪ সালে ১৫৪ বলে সেঞ্চুরি ছুঁয়েছিলেন।
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৩০৫ রানে অলআউট হয়। জবাব দিতে নেমে দ্রুত দুই উইকেট হারালেও ওয়ার্নার আর হ্যান্ডসকম্ব স্কোর বড় করতে থাকেন।
ছবি: সাকিব উল ইসলাম।









