চট্টগ্রাম থেকে: টেস্ট ক্রিকেটে ৬৯ বলে সেঞ্চুরি আছে তার। মারকুটে ব্যাটসম্যানের তালিকা করলে থাকবেন প্রথম পাঁচজনের মধ্যে। সেই ডেভিড ওয়ার্নার চট্টগ্রাম টেস্টে হয়ে উঠলেন ধৈর্যের প্রতিমূর্তি। সেঞ্চুরি করলেন ২০৯ বল খেলে, ৩১৩ মিনিট উইকেটে কাটিয়ে। বল ও মিনিটে এটিই ওয়ার্নারের সবচেয়ে ধীরগতির সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত এই অজি ওপেনার ২৩৩ বলে ১২৩ করে থেমেছেন দলকে লিড ছোঁয়া দূরত্বে রেখে।
পুরো সিরিজে বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছেন ওয়ার্নার। মিরপুরে দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরি করে দলকে নিয়ে গিয়েছিলেন জয়ের কাছাকাছি। ওয়ার্নার ফেরার পরই ভেঙে পড়েছিল অজিদের ইনিংস। ২০ রানের জয় দেখেছিল বাংলাদেশ। এ ম্যাচের ফল কী হবে তা সময়ই বলে দেবে। তবে ওয়ার্নার বাংলাদেশে যা করে গেলেন তা ভবিষ্যতে ভয় ধরিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।
৫ রানে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম উইকেট পড়ার পর অধিনায়ক স্মিথের সঙ্গে ৯৩ রানের জুটি। তৃতীয় উইকেটে হ্যান্ডসকম্বের সঙ্গে ১৫২ রানের জুটি । তাতেই প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবধান গড়ে নিয়েছে অজিরা। বাংলাদেশের করা ৩০৫ রান অজিরা টপকে গেছে মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে। বড় অবদান সহ-অধিনায়ক ওয়ার্নারের।
আকাশে ব্যাট ছুড়ে উদযাপন করেছেন সেঞ্চুরি। করতালি দিয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন মিরপুর টেস্টের দুই ইনিংসে সেঞ্চুরির আশা জাগানো তামিম ইকবাল। সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে নিজের ২১তম টেস্ট সেঞ্চুরি হয়ত অনেক দিন মনে রাখবেন ওয়ার্নার, মনে রাখবেন বাংলাদেশও।
ছবি: সাকিব উল ইসলাম।







