বাংলাদেশ দলে বিধ্বংসী ব্যাটসম্যানদের তালিকায় সাব্বির রহমানের নাম নিঃসন্দেহে প্রথম দিকেই থাকবে। সৌম্য সরকার, তামিম ইকবালদের মতো ঝড়ো ব্যাটসম্যানদের মধ্যেও নিজের জাত চেনাতে কোনো কামতি রাখছেন না এই অলরাউন্ডার।
সিরিজের প্রথম ম্যাচে শুধু ব্যাটিংয়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করলেও আজ বল হাতেও সমান পারদর্শিতা দেখিয়েছেন রাজশাহীর এই তারকা। আর তাতে সাকিব, নাসিরের উচ্চতায় পৌঁছাতে নিজের অবস্থান আরও দৃঢ় করলেন এই তরুণ।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচটিতেও দলীয় সর্বোচ্চ ইনিংস উপহার দিয়ে বল হাতেও প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপ ধসিয়ে দিতে প্রধান ভূমিকা রেখেছেন টাইগারদের জয়ের এই মূল কারিগর।
ম্যাচ সেরা সাব্বিরের অলরাউন্ডিং নৈপুণ্যে ৪২ রানের জয় পায় বাংলাদেশ। দলের তিন উইকেটে ১৬৭ রান সংগ্রহের পথে প্রধান ভূমিকা রেখে প্রতিপক্ষকে আট উইকেটে ১২৫ রানে আটকে দিতেও মূল ভূমিকা রাখেন তিনি।
খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে সফরকারীদের বিপক্ষে দলের দ্বিতীয় জয়ে ব্যাট হাতে ৪৩ রানের পাশাপাশি বল হাতেও সর্বোচ্চ তিন উইকেট নিয়েছেন এই ডানহাতি লেগস্পিনার।
তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে নিজের ব্যাটিং নৈপুণ্যের দুর্দান্ত প্রদর্শনী দেখানো এই ২৪ বছর বয়সী তারকার সমান স্কোর সৌম্য সরকারেরও। তবে সাব্বির বল খরচ করেছেন কম। সৌম্য-এর ৩৩ বল খেলার বিপরীতে সাব্বির খেলেছেন তিন বল কম।
তিন ছয় আর এক চারের মারে খুলনার গ্যালারি আনন্দের জোয়ারে ভাসান মাত্রই ১২ টি টি-২০ ম্যাচ খেলা এই তারকা। আর হ্যামিল্টন মাসাকাদজাকে ফিরিয়ে উদ্বোধনী জুটি ভাঙ্গার পর ওয়ান ডাউনে নামা রিচমন্ড মুতুম্বামিকেও ফেরান এই ঘূর্ণি জাদুকর।
ভয়ঙ্কর হয়ে উঠার আগেই মাসাকাদজাকে ৩০ রানে ফিরিয়ে দলে স্বস্তি এনে দেন তিনি। পরে গ্রায়েম ক্রেমারকেও ফেরান সাব্বির। মাত্র ২.১ ওভার বল করেই এই অনন্য সাধারণ অর্জন সাব্বিরের। রান দিয়েছেন মাত্র ১১।
চার ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে প্রথম ম্যাচটিতেও দলের জয়ে ব্যাট হাতে প্রধান ভূমিকা রাখেন বাংলাদেশের দলের অন্যতম প্রতিভাবান এই তারকা। সেই ম্যাচে ইনিংস সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেছিলেন তিনি।







