কক্সবাজার থেকে: সকাল থেকে তপ্ত রোদ। দুপুর গড়িয়ে বিকেল আসন্ন। অথচ নির্ধারিত সময়ে শুরু হয়নি বাংলাদেশ ও পাকিস্তান নারী দলের মধ্যকার সিরিজের প্রথম টি-টুয়েন্টি। কারণ কক্সবাজারে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের একাডেমি মাঠ আগের রাতের বৃষ্টিতে জবুথবু অবস্থা।
প্রাকৃতিক নিয়মে মাঠ শুকালেই কেবল শুরু করা যাবে ম্যাচ। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকার পরও কেনো এই ভেন্যুতে আন্তর্জাতিক ম্যাচ সেটি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। মাঠ পরিচর্যার জন্য নেই পানি শুকানোর মেশিন সুপার সপারও।
ছোট ছোট ফোমের টুকরো দিয়ে মাটি থেকে পানি শুকানোর চেষ্টা করছিলেন গ্রাউন্ডসম্যানরা। ম্যাচ অফিসিয়াল কিংবা টিভির ক্যামেরার লেন্স সরতেই অবশ্য তারা থামিয়েছেন বৃথাশ্রম। এত বড় মাঠ, ৭-৮টি ফোমের টুকরা দিয়ে একটি অংশও শুকানো সম্ভব নয়, সেটি তাদের চেয়ে ভালো আর কেইবা জানে! প্রয়োজনীয় টুলস না থাকায় লোক দেখানো কাজটুকু করতে তারা বাধ্যই হয়েছেন!
দুপুর ২টায় শুরু হওয়ার কথা ছিল সিরিজের প্রথম টি-টুয়েন্টি। ঘড়ির কাটায় যখন ঠিক ২টা, তখন আউটফিল্ড পর্যবেক্ষণে নামেন ম্যাচ রেফারি নিয়ামুর রশিদ রাহুল। ফিরে এসে জানান আরেকদফা পর্যবেক্ষণের পর ৩টায় নির্ধারণ হবে ম্যাচের ভাগ্য।
শেষ পর্যন্ত যদি কার্টেল ওভারেও ম্যাচ গড়ায় তাতেও বাংলাদেশের লাভ। নভেম্বরে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলার আগে এই সিরিজকে নিজেদের প্রস্তুতির মঞ্চ হিসেবে দেখছেন টাইগ্রেস অধিনায়ক সালমা খাতুন।
এশিয়া কাপ জয়ের পর মেয়েদের মাঝে যে আত্মবিশ্বাস ছড়িয়েছে, সেটি নিয়ে হোম সিরিজে ফেভারিট তকমা পাচ্ছে বাংলাদেশই। বছরখানেক আগেও যে পাকিস্তানের বিপক্ষে লড়তে ঘাম ছুটে যেত, সেই দলটির বিপক্ষে সব ম্যাচ জেতার মনচ্ছবি দেখছে টিম টাইগ্রেস।
গত জুনে এশিয়া কাপের শিরোপা নিয়ে ফেরা দলটির কাছে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ হয়ে উঠেছে নিজেদের সামর্থ্যে শান দেয়ার মঞ্চও।







