বাংলাদেশ

‘এখনই মাস্ক খুলে ফেলার মতো কোনো কিছু হয়নি’

-4 Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লোগো, যেখানে একটি কৃৎকৌশল ও ল্যাবের চিহ্ন রয়েছে।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

করোনা প্রতিরোধে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, এখনই মাস্ক খুলে ফেলার মতো কোনো কিছু হয়নি।

পাশাপাশি অধিদপ্তর বলছে দেশে করোনায় সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছেন ঢাকা বিভাগে, কম ময়মনসিংহ বিভাগে। অন্যদিকে ৫১ থেকে ৮০ বছর বয়সীদের বেশি মৃত্যু হয়েছে।

রোববার দুপুরে দেশের করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে অধিদফতরের নিয়মিত ভার্চুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে এসব তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইন ডিরেক্টর (অসংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ) ও মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন।

তিনি বলেন, বর্তমানে ওমিক্রনের মাত্রা আমরা সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসতে পেরেছি। এখন যে শনাক্ত হচ্ছে তার সবই প্রায় ওমিক্রন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ছাড়া অন্য কোনো উপায় এখনো নেই। দীর্ঘ মেয়াদী আমাদের এগুলো পালন করতে হবে। এখনই মাস্ক খুলে ফেলার মতো কিছু হয়নি। আমরা দেখেছি, ইতোমধ্যে অনেকেই ভাবছেন ওমিক্রনের প্রভাব কমে গেছে। ফলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে না। মাস্ক খুলে ফেলার পেছনে যুক্তি দিচ্ছেন। আমাদের খেয়াল করতে হবে, গতকালও ১৩ জন মানুষ মারা গেছেন। ৩৬২ জন শনাক্ত হয়েছেন।

ভাইরাসের মিউটেশন হচ্ছে, ভাইরাসের এখনো ইভোল্যুশন হচ্ছে। আবারও নতুন করে কোনো ভ্যারিয়েন্ট আসবে কি না সে শঙ্কাটা থেকেই যাচ্ছে। ওমিক্রনের যেসব নতুন নতুন উপধরন বিএ.২ বা অন্য কিছু, তা চলে আসার সম্ভাবনা থাকবে। আমাদের যেসব রিস্কি গ্রুপগুলো আছে ডায়াবেটিস, হাইপার টেনশন, ক্যানসারের রোগী স্টেরয়েড পাচ্ছেন তাদের ক্ষেত্রে ওমিক্রন সিরিয়াস আক্রান্ত করতে পারে।

ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু
রোবেদ আমিন বলেন, করোনাভাইরাসে আমাদের মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশের বেশির সম্ভাব্য সংক্রমণের হার থাকলেও আমরা মৃত্যু খুব বেশি দেখিনি। দেশে এ পর্যন্ত মোট আক্রান্তের মধ্যে মৃতের হার হলো ৫ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

তিনি বলেন, বিভাগভিত্তিক মৃত্যুর হার যদি দেখি, সেক্ষেত্রে দেখা যাবে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে, যা প্রায় ৪৩ দশমিক ৯১ শতাংশ। চট্টগ্রামে ২০ দশমিক ১৫ শতাংশ, খুলনায় ১২ দশমিক ৭৭ শতাংশ, রাজশাহীতে ৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ, রংপুরে ৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ, সিলেটে ৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ, বরিশালে ৩ দশমিক ৩৭ ও ময়মনসিংহে ৩ দশমিক ০২ শতাংশ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এ কর্মকর্তা বলেন, বয়সভিত্তিক বিবেচনায় ৫১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে আক্রান্তদের ৭০ শতাংশ মারা গেছেন। এর মানে এই নয় যে ৫০ বছরের নিচে কোনো মৃত্যু নেই। ৪১ থেকে ৫০ বছর পর্যন্ত ১১ শতাংশ, ৩১ থেকে ৪০ বছর পর্যন্ত ৫ দশমিক ৮৩ শতাংশ ও ২১ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

বিষয়:ওমিক্রন করোনাভাইরাস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…