কাতারের কাছে খাদ্যসামগ্রী এবং অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের যে মজুদ আছে তা আগামী এক বছরের জন্য যথেষ্ট বলে জানিয়েছেন কাতার চেম্বার (কিউসি)-এর চেয়ারম্যান শেখ খলিফা বিন জসিম বিন মোহাম্মদ আল থানি।
তিনি জানান, কাতারের ৯৫ শতাংশ আমদানি হয় নৌ বা আকাশপথে। তাই দেশে খাদ্যদ্রব্যের কোন অভাব হবে না।
সম্প্রতি কাতারের সঙ্গে ৬টি দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কচ্ছেদ এবং সীমানা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ করে দেয়ার প্রেক্ষিতে বুধবার কিউসি কাতারের ৪০টির বেশি প্রধান খাদ্য সরবরাহকারী ও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠকে আমদানীকারক কোম্পানি এবং কিউসি’র প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি যৌথ কমিটি গঠিত হয়।
বৈঠকের পর প্রকাশিত কিউসি’র বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে সম্পর্ক ছিন্নকারী প্রতিবেশী দেশ সৌদি আরব, বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে খাদ্যসামগ্রী আমদানীকারক প্রতিষ্ঠানগুলো অন্যান্য সরবরাহকারীদের সঙ্গে চুক্তি করেছে।
বৈঠকে আমদানীকারকদের খাদ্য ও ভোগ্যপণ্য আমদানি করার বিকল্প উৎস খোঁজার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা নিশ্চিত করেছেন, তাদের কাছে যথেষ্ট সরঞ্জাম মজুদ আছে এবং আমদানির উৎসও অনেকগুলো।
নিষেধাজ্ঞার প্রভাব স্থানীয় বাজারে পড়বে না উল্লেখ করে বিবৃতি এবং আলোচনায় বলা হয়েছে, নেতিবাচক প্রভাব পড়বে সেসব দেশের ওপর, যারা কাতারি বাজার হারাচ্ছে। অন্যদিকে কাতারি আমদানীকারকদের কাছে বহু বিকল্প উপায় আছে।
সম্পর্ক ছিন্নকারী দেশগুলোর সিদ্ধান্তে দুঃখপ্রকাশ করে শেখ খলিফা বলেছেন, এ সিদ্ধান্তে ওই তিন দেশের রপ্তানিকারকরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
আমদানিকারীদের যেকোন সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় কিউসি কাজ করে যাবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।








