ইরান এবং ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে কমেছে অস্ত্রের মজুত। ঘাটতি পূরণে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ কেনার কথা জানিয়েছে পেন্টাগন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী অর্থবছরে দেড় ট্রিলিয়ন ডলার সামরিক বাজেটের প্রস্তাব দিয়েছেন। এই সুযোগে ব্যাপক মুনাফার আশা করছে বিশ্বের বৃহৎ দুই প্রতিরক্ষা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ‘লকহিড মার্টিন’ ও ‘আরটিএক্স’।
সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
ইরান থেকে ইউক্রেন পর্যন্ত দীর্ঘ সময় ধরে চলা যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মজুদ কমেছে। ফলে সামরিক রশদ দ্রুত কমতে থাকায় কপালে ভাঁজ পড়েছে পেন্টাগনের। পরিস্থিতি সামাল দিতে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি অস্ত্র কেনার দিকে ঝুঁকছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৭ অর্থবছরের জন্য রেকর্ড ১ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের সামরিক বাজেট প্রস্তাব করেছেন। ইতোমধ্যে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ প্রায় ১ দশমিক ১৫ ট্রিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা ব্যয়ের একটি বিল পাস করেছে।
আর এতে বাড়তি মুনাফার সুযোগ তৈরি হয়েছে বিশ্বের দুই বৃহৎ প্রতিরক্ষা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিন ও আরটিএক্স এর।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিনের নতুন অর্ডারের পরিমাণ বেড়ে ২৩০ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। আর আরটিএক্সের অর্ডার ব্যাকলগ বেড়ে হয়েছে ২৮৯ বিলিয়ন ডলার। ক্ষেপণাস্ত্রের চাহিদা বাড়ায় বেড়েছে বিক্রিও।
বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে আগামী বছরগুলোতেও প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়বে বলে ধারণা করছে প্রতিষ্ঠান দুটি।







