বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার ম্যাচে বৃষ্টি হলে কপাল খুলে যায় লাল-সবুজের। লঙ্কানদের বিপক্ষে জয় পাওয়া পাঁচটি ম্যাচের তিনটিতে রান তাড়ার পথে হানা দেয় বৃষ্টি। সবকটিতে জয় পায় বাংলাদেশ। মঙ্গলবার ডাম্বুলায় সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচেও হানা দিয়েছে বৃষ্টি।
বৃষ্টি আসার আগে ৩১১ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে স্বাগতিকরা। লঙ্কানদের ৩০০ রান করা আগের একটি ম্যাচেও বৃষ্টি হয়েছিল। সেই ম্যাচ জিতে গিয়েছিল বাংলাদেশ।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টাইগারদের দ্বিতীয় জয়টি ঘরের মাটিতে, মিরপুরে ২০০৯ সালের ১৪ জানুয়ারি। ত্রিদেশীয় সিরিজে বৃষ্টির কারণে ম্যাচ ৩১ ওভারে কমিয়ে আনা হয়। ওই ম্যাচে মাশরাফি ও রুবেল হোসেনের পেস তোপে মাত্র ১৪৭ রানে গুঁড়িয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। মাশরাফি নেন তিন উইকেট আর রুবেল চার উইকেট। জবাবে সাকিবের অনবদ্য ৯২ রানে পাঁচ উইকেটের জয় পায় টাইগাররা। ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টে অন্য দলটি ছিল জিম্বাবুয়ে।
তৃতীয় জয়টি আসে ঢাকায়, ২০১২ সালের ২০ মার্চ এশিয়া কাপে। বৃষ্টি আইনে টাইগাররা জয় পায় পাঁচ উইকেটে। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে টাইগারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ২৩২ রানে অলআউট হয় শ্রীলঙ্কা। এরপর ম্যাচে বৃষ্টি হানা দেয়। পরে টাইগারদের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪০ ওভারে ২১২ রান। তামিমের ৫৯, সাকিবের ৫৬ ছাড়াও শেষদিকে নাসিরের ৩৬ এবং মাহমুদউল্লাহর ৩২ রানে জয় পায় বাংলাদেশ।
২০১৩ সালের ২৮ মার্চ লঙ্কানদের মাটিতে চতুর্থ জয়টি পায় টাইগাররা।
পাল্লেকেল্লেতে এ ম্যাচেও বৃষ্টি আইনে জয় আসে। তিন উইকেটের জয় পায় সাকিব-তামিমরা। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে তিলকারত্নে দিলশানের ১২৫ রানে ৯ উইকেটে ৩০২ রান করে লঙ্কানরা। তবে বাংলাদেশের ইনিংসের ১৩ দশমিক চার ওভারে বৃষ্টি হানা দিলে লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৭ ওভারে ১৮৩ রান। এনামুল হক বিজয়ের ৪০ ও মাহমুদউল্লাহর অপরাজিত ৩৩ রানে বিদেশের মাটিতে প্রথমবারের মতো শ্রীলঙ্কাকে হারানোর স্বাদ পায় বাংলাদেশ।








